ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ সীরাতের বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রে শান্তি আসতে পারে না: চরমোনাই পীর মাদরাসাছাত্র হত্যা মামলায় কারাগারে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ৭ নভেম্বরকে বিপ্লব বললেও চব্বিশকে স্বীকৃতি দিতে চায় না বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকার দুই সিটির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ইসরাইলে সরকার গঠন করছে কারা, জানা যাবে কাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নবম ও দশম গ্রেডে চাকরির সুযোগ সন্তানরা বলিউডে আসুক চান না করণ জোহর ইয়াজুজ-মাজুজ নিয়ে প্রচলিত কাহিনি: কোনটি সত্য আর কোনটি বানোয়াট? ইতিহাস গড়ে ডাবল সেঞ্চুরি তাওহিদ হৃদয়ের

ইসরাইলে সরকার গঠন করছে কারা, জানা যাবে কাল

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলে ২৬তম নেসেট নির্বাচনের পর পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ‘ইয়াশার’ পার্টির প্রধান গাদি আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। রোববার (৮ নভেম্বর) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

 

প্রেসিডেন্ট হারজোগ জানিয়েছেন, নেসেটের মোট ১২০ জন সদস্যের মধ্যে ৬৭ জন আইজেনকোটকে প্রধানমন্ত্রী করার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। বিপরীতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন এসেছে ৪৬ জন সংসদ সদস্যের। ২০১৫ সালের পর এবারই প্রথম কোনো হবু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনপ্রণেতার সমর্থন পাওয়া নিশ্চিত করেছেন আইজেনকোট।

যদিও আইজেনকোটের ঝুলিতে স্পষ্ট সমর্থন রয়েছে, তবু জোট সরকার গঠনের পথ বেশ জটিল। তাকে সমর্থন জানানো ৬৭ আইনপ্রণেতার মধ্যে ৪৮ জন এসেছে ৪টি ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দল থেকে এবং ১৯ জন এসেছে ২টি আরব-নেতৃত্বাধীন পার্টি (রাম ও জয়েন্ট লিস্ট) থেকে। ইহুদি দলগুলোর অনেকেই সাধারণত আরবদের সাথে একই জোটে সরকার চালাতে অনিচ্ছুক।

 

তবে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে সরকার গঠনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রখর ধর্মনিরপেক্ষ দল ‘ইসরাইল বেইতেনু’-এর প্রধান আভিগডোর লিবারম্যান ধর্মীয় দলগুলোর সঙ্গে জোটে না বসার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তিনি আল্ট্রা-অর্থোডক্স ধর্মীয় দল ‘ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম’ (ইউটিজে)-এর সাথে জোট বাঁধতে রাজি। অন্যদিকে এবার এই ধর্মীয় দলটি নেতানিয়াহুকে সমর্থন দেয়নি, যা আইজেনকোটকে সুবিধাজনক অবস্থানে বসিয়েছে।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের অংশ হিসেবে আগামী ১০ নভেম্বর নতুন নেসেটের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরই বর্তমান স্পিকার তথা নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টির নেতাকে সরিয়ে নতুন স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আরব দল রামসহ বিরোধীরা এরই মধ্যে আগাম নির্বাচনের আবেদনের পক্ষে সই করেছে।

বিতর্কের মাঝেই নেতানিয়াহুর দল লিকুদ বিরোধীদের এই জোটকে ‘দুর্যোগের জোট’ বলে সমালোচনা করেছে এবং একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে। তবে বিরোধী দলগুলো তাদের এই প্রস্তাবকে সোজা প্রত্যাখ্যান করে নেতানিয়াহুর সঙ্গে নতুন কোনো জোটে যাওয়ার সুযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর নির্ভর করে চলতি সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে ইসরায়েলের পরবর্তী সরকারের ভাগ্য।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

 

ইসরাইল

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’

ইসরাইলে সরকার গঠন করছে কারা, জানা যাবে কাল

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ইসরাইলে ২৬তম নেসেট নির্বাচনের পর পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ‘ইয়াশার’ পার্টির প্রধান গাদি আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। রোববার (৮ নভেম্বর) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

 

প্রেসিডেন্ট হারজোগ জানিয়েছেন, নেসেটের মোট ১২০ জন সদস্যের মধ্যে ৬৭ জন আইজেনকোটকে প্রধানমন্ত্রী করার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। বিপরীতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন এসেছে ৪৬ জন সংসদ সদস্যের। ২০১৫ সালের পর এবারই প্রথম কোনো হবু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনপ্রণেতার সমর্থন পাওয়া নিশ্চিত করেছেন আইজেনকোট।

যদিও আইজেনকোটের ঝুলিতে স্পষ্ট সমর্থন রয়েছে, তবু জোট সরকার গঠনের পথ বেশ জটিল। তাকে সমর্থন জানানো ৬৭ আইনপ্রণেতার মধ্যে ৪৮ জন এসেছে ৪টি ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দল থেকে এবং ১৯ জন এসেছে ২টি আরব-নেতৃত্বাধীন পার্টি (রাম ও জয়েন্ট লিস্ট) থেকে। ইহুদি দলগুলোর অনেকেই সাধারণত আরবদের সাথে একই জোটে সরকার চালাতে অনিচ্ছুক।

 

তবে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে সরকার গঠনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রখর ধর্মনিরপেক্ষ দল ‘ইসরাইল বেইতেনু’-এর প্রধান আভিগডোর লিবারম্যান ধর্মীয় দলগুলোর সঙ্গে জোটে না বসার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তিনি আল্ট্রা-অর্থোডক্স ধর্মীয় দল ‘ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম’ (ইউটিজে)-এর সাথে জোট বাঁধতে রাজি। অন্যদিকে এবার এই ধর্মীয় দলটি নেতানিয়াহুকে সমর্থন দেয়নি, যা আইজেনকোটকে সুবিধাজনক অবস্থানে বসিয়েছে।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের অংশ হিসেবে আগামী ১০ নভেম্বর নতুন নেসেটের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরই বর্তমান স্পিকার তথা নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টির নেতাকে সরিয়ে নতুন স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আরব দল রামসহ বিরোধীরা এরই মধ্যে আগাম নির্বাচনের আবেদনের পক্ষে সই করেছে।

বিতর্কের মাঝেই নেতানিয়াহুর দল লিকুদ বিরোধীদের এই জোটকে ‘দুর্যোগের জোট’ বলে সমালোচনা করেছে এবং একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে। তবে বিরোধী দলগুলো তাদের এই প্রস্তাবকে সোজা প্রত্যাখ্যান করে নেতানিয়াহুর সঙ্গে নতুন কোনো জোটে যাওয়ার সুযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর নির্ভর করে চলতি সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে ইসরায়েলের পরবর্তী সরকারের ভাগ্য।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

 

ইসরাইল