স্বস্তি নেই সবজিতেও। সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধি।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা বাজারে মিনিকেট চাল মানভেদে প্রতি কেজি ৮২ থেকে ৯০ টাকা, যা ঈদের আগে ছিল ৭২ থেকে ৮২ টাকা। ব্রি-২৮ ও পাইজাম চাল কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা বেড়ে ৬০ থেকে ৬৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাড্ডা, রামপুরা, জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা, বরবটি ও কাকরোল প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। বেগুন মানভেদে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ১০০ টাকা। টমেটো মানভেদে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০, পটোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা।
জোয়ারসাহারা বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. মিলন খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় আড়তে দাম বাড়তি।
রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি মানভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা।
বাজারে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, দেশি আদা ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, দেশি রসুন প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, দেশি মসুর ডাল (চিকন দানা) ১৪০ টাকা, আমদানি করা মসুর ডাল (মোটা দানা) ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
এদিকে চালের বাজারে অস্থিরতা চলছেই। রাজধানীর খুচরা বাজারে চিকন চালের (মিনিকেট) দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। মাঝারি ও মোটা চালও কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 






































