ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে সাঈদীকে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা রাখায় শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে হত্যা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদ সাঈদী।

শনিবার ( ১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আমার দেখা আল্লামা সাঈদী বইয়ের প্রকাশনা উৎসব ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সাঈদীপুত্র মাসুদ সাঈদী বলেন, কেন তারা আল্লামা সাঈদীর কণ্ঠ স্তব্ধ করতে চেয়েছে? কারণ, ভারতীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আগ্রাসন যখন বাংলাদেশের ওপর চেপে বসত, তখন সবার আগে বাঘের মতো গর্জে উঠত আল্লামা সাঈদীর কণ্ঠ।

তিনি আরও বলেন, আল্লামা সাঈদীকে ২০১০ সালের ২৯ জুন গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার হাস্যকর মামলায়। কিন্তু বিচার করেছে তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায়। আল্লামা সাঈদীকে যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার করার মতো প্রমাণাদি সরকারের হাতে ছিল না। তাকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখায় মুসলিম উম্মাহর ক্ষতি হয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের টোটাল অভিযোগটাই হলো একটা নাটক।

বইয়ের প্রকাশনা উৎসব ও আল্লামা সাঈদীর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভায় তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গীর সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ সফিক উল্লাহ আল মাদানীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ভারতের নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে সাঈদীকে

আপডেট সময় : ১২:৫২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা রাখায় শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে হত্যা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদ সাঈদী।

শনিবার ( ১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আমার দেখা আল্লামা সাঈদী বইয়ের প্রকাশনা উৎসব ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সাঈদীপুত্র মাসুদ সাঈদী বলেন, কেন তারা আল্লামা সাঈদীর কণ্ঠ স্তব্ধ করতে চেয়েছে? কারণ, ভারতীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আগ্রাসন যখন বাংলাদেশের ওপর চেপে বসত, তখন সবার আগে বাঘের মতো গর্জে উঠত আল্লামা সাঈদীর কণ্ঠ।

তিনি আরও বলেন, আল্লামা সাঈদীকে ২০১০ সালের ২৯ জুন গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার হাস্যকর মামলায়। কিন্তু বিচার করেছে তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায়। আল্লামা সাঈদীকে যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার করার মতো প্রমাণাদি সরকারের হাতে ছিল না। তাকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখায় মুসলিম উম্মাহর ক্ষতি হয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের টোটাল অভিযোগটাই হলো একটা নাটক।

বইয়ের প্রকাশনা উৎসব ও আল্লামা সাঈদীর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভায় তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গীর সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ সফিক উল্লাহ আল মাদানীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।