ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নাহিদ ইসলামের পোস্ট

জেনারেল ওসমানীকে দীর্ঘদিন যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়নি

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ শ্রদ্ধা জানান।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী এম এ জি ওসমানী ছাত্রজীবনেই কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ছাত্রজীবন শেষে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে তিনি সাহসিকতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের পরিচয় দেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতৃত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে সংগঠিত হওয়ার আগেই স্বাধীনতা সংগ্রামের সামরিক নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এম এ জি ওসমানী। তার নেতৃত্বে তৎকালীন বাঙালি সামরিক কর্মকর্তারা ঐক্যবদ্ধ হন এবং মুক্তিযুদ্ধকে একটি সুসংগঠিত সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুদ্ধ পরিচালনার স্বার্থে প্রবাসী রাজনৈতিক সরকার গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তাও ছিলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সমরকৌশল, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনায় অসাধারণ নৈপুণ্যের পরিচয় দেন ওসমানী। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কৌশলের অধীনেই মুক্তিযোদ্ধারা শক্তিশালী পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করতে সক্ষম হন।

স্বাধীনতার পরের রাজনৈতিক ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলে এম এ জি ওসমানী এর বিরোধিতা করেন। একই সময়ে তিনি সংসদ ও আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের এই মহানায়ককে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়নি। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তার অবদান অনস্বীকার্য এবং তার নেতৃত্ব ও সাহসিকতা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম তার পরকালীন জীবনের শান্তি কামনা করেন।

 

 

নাহিদ ইসলাম   এনসিপি

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

নাহিদ ইসলামের পোস্ট

জেনারেল ওসমানীকে দীর্ঘদিন যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়নি

আপডেট সময় : ০২:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ শ্রদ্ধা জানান।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী এম এ জি ওসমানী ছাত্রজীবনেই কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ছাত্রজীবন শেষে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে তিনি সাহসিকতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের পরিচয় দেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতৃত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে সংগঠিত হওয়ার আগেই স্বাধীনতা সংগ্রামের সামরিক নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এম এ জি ওসমানী। তার নেতৃত্বে তৎকালীন বাঙালি সামরিক কর্মকর্তারা ঐক্যবদ্ধ হন এবং মুক্তিযুদ্ধকে একটি সুসংগঠিত সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুদ্ধ পরিচালনার স্বার্থে প্রবাসী রাজনৈতিক সরকার গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তাও ছিলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সমরকৌশল, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনায় অসাধারণ নৈপুণ্যের পরিচয় দেন ওসমানী। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কৌশলের অধীনেই মুক্তিযোদ্ধারা শক্তিশালী পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করতে সক্ষম হন।

স্বাধীনতার পরের রাজনৈতিক ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলে এম এ জি ওসমানী এর বিরোধিতা করেন। একই সময়ে তিনি সংসদ ও আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের এই মহানায়ককে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়নি। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তার অবদান অনস্বীকার্য এবং তার নেতৃত্ব ও সাহসিকতা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম তার পরকালীন জীবনের শান্তি কামনা করেন।

 

 

নাহিদ ইসলাম   এনসিপি