ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানের হিরোশিমা শহর পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা

জাপানের হিরোশিমা শহরে অবস্থিত পিস পার্ক ও পিস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল। 

জাপানে সফরকালীন বুধবার (৬ মে) তিনি এ পরিদর্শনে অংশ নেন।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর ‘লিটল বয়’ নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এর তিন দিন পর, ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরের ওপর ‘ফ্যাট ম্যান’ নামের আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটে।

অনুমান করা হয়, ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোশিমায় প্রায় ১,৪০,০০০ মানুষ এবং নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪,০০০ মানুষ প্রাণ হারান। পরবর্তীতে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও প্রায় ২,১৪,০০০ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।

আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও হিরোশিমা শহর সেই বেদনাদায়ক ঘটনার নীরব সাক্ষী হয়ে আছে। যে ভবনের ওপর বোমাটি নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তার ভগ্নাবশেষ আজও ইতিহাসের স্মারক হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।

পরিদর্শনকালে হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষক, সেখানে গবেষণারত প্রবাসী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীরা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, এমপি উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

জাপানের হিরোশিমা শহর পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

জাপানের হিরোশিমা শহরে অবস্থিত পিস পার্ক ও পিস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল। 

জাপানে সফরকালীন বুধবার (৬ মে) তিনি এ পরিদর্শনে অংশ নেন।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর ‘লিটল বয়’ নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এর তিন দিন পর, ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরের ওপর ‘ফ্যাট ম্যান’ নামের আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটে।

অনুমান করা হয়, ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোশিমায় প্রায় ১,৪০,০০০ মানুষ এবং নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪,০০০ মানুষ প্রাণ হারান। পরবর্তীতে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও প্রায় ২,১৪,০০০ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।

আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও হিরোশিমা শহর সেই বেদনাদায়ক ঘটনার নীরব সাক্ষী হয়ে আছে। যে ভবনের ওপর বোমাটি নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তার ভগ্নাবশেষ আজও ইতিহাসের স্মারক হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।

পরিদর্শনকালে হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষক, সেখানে গবেষণারত প্রবাসী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীরা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, এমপি উপস্থিত ছিলেন।