ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪১১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) একসঙ্গে তিন বোন ৯ তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তারা সবাই নাবালিকা এবং গাজিয়াবাদের একটি আবাসিক সোসাইটির বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বোন তিনজন বিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) ও পাখি (১২) আত্মহত্যা করার আগে ঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে রাখে। আশপাশের বাসিন্দারা ঘুমে থাকায় তারা ঘটনাটি ততক্ষণ বুঝতে পারেননি। পরে তিন বোনের নিচে পড়ার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরিবার যখন দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে, তখন তারা ইতিমধ্যেই লাফিয়ে পড়েছিল।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন বোন এক কোরিয়ান গেমের নেশায় ছিল, যা তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের অন্যতম কারণ ছিল। করোনাকালীন সময় থেকে তারা অনলাইনে গেমের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে, নিয়মিত স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তারা তাদের গেমের প্রিয় চরিত্রের মতো নিজেদের কোরিয়ান নামও ব্যবহার করত।

গেম আসক্তির কারণে তাদের আচরণে এক ধরনের অদ্ভুত ঘনিষ্ঠতা ছিল, খাওয়া, ঘুমানো, গোসল সবকিছুই তারা একসঙ্গে করত। বাড়ি থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে কান্নার ইমোজি দিয়ে লেখা ছিল, ‘দুঃখিত, বাবা’।

এই ঘটনাটি সামাজিক সচেতনতার জন্য একটি শোকাবহ সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপ ও গেম আসক্তির প্রভাবের গুরুত্ব পুনরায় আলোচিত হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা।

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) একসঙ্গে তিন বোন ৯ তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তারা সবাই নাবালিকা এবং গাজিয়াবাদের একটি আবাসিক সোসাইটির বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বোন তিনজন বিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) ও পাখি (১২) আত্মহত্যা করার আগে ঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে রাখে। আশপাশের বাসিন্দারা ঘুমে থাকায় তারা ঘটনাটি ততক্ষণ বুঝতে পারেননি। পরে তিন বোনের নিচে পড়ার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরিবার যখন দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে, তখন তারা ইতিমধ্যেই লাফিয়ে পড়েছিল।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন বোন এক কোরিয়ান গেমের নেশায় ছিল, যা তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের অন্যতম কারণ ছিল। করোনাকালীন সময় থেকে তারা অনলাইনে গেমের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে, নিয়মিত স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তারা তাদের গেমের প্রিয় চরিত্রের মতো নিজেদের কোরিয়ান নামও ব্যবহার করত।

গেম আসক্তির কারণে তাদের আচরণে এক ধরনের অদ্ভুত ঘনিষ্ঠতা ছিল, খাওয়া, ঘুমানো, গোসল সবকিছুই তারা একসঙ্গে করত। বাড়ি থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে কান্নার ইমোজি দিয়ে লেখা ছিল, ‘দুঃখিত, বাবা’।

এই ঘটনাটি সামাজিক সচেতনতার জন্য একটি শোকাবহ সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপ ও গেম আসক্তির প্রভাবের গুরুত্ব পুনরায় আলোচিত হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি