ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত ‘তোমরা মারো না কেন, মারো’, সাদ্দামকে বলেছিলেন কাদের দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ১০ নারী সাহাবি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ফরম নিলেন রাষ্ট্রপতির ভাই সুশাসন ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: এটিএম আজহার ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ বিদ্যুৎ বিলের টাকা লুটপাট করছেন কুরুম, শেল্টার দিচ্ছে কারা? ফ্যাসিস্ট আ.লীগের নেতাকর্মীদের বিচারে ব্যর্থ হলে ভীরুতার পরিচয় দেব আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ

নতুন দেওয়ানি আইন করছে ভারত, বিপাকে মুসলিমরা

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোটের শাসিত সব রাজ্যে ২০২৯ সালের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে এই উদ্যোগ বিশেষ করে, দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ভারতের ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষ একই ধরনের ফৌজদারি আইনের আওতায় থাকলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারের  মতো ব্যক্তিগত বিষয়ে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নিজস্ব রীতি ও আইন অনুসরণ করা হয়।

এসব ভিন্ন আইন ও রীতির পরিবর্তে সবার জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা বিজেপির দীর্ঘদিনের অন্যতম রাজনৈতিক লক্ষ্য।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অমিত শাহ বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) শাসিত ২১টি রাজ্যেই এই আইন কার্যকর করার বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি রাজ্যে ইউসিসি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালুর উদ্যোগ নিয়ে ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, অভিন্ন আইন চালু হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিজস্ব পারিবারিক রীতি পালনের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

অন্যদিকে, ইউসিসির সমর্থকদের দাবি, এই আইন নারীদের আরও সমান অধিকার নিশ্চিত করবে। এর মাধ্যমে বহুবিবাহ বন্ধ করা, ছেলে-মেয়ের সমান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করার মতো বিধান আনার কথা বলা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

ভারত   মুসলিম

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত

নতুন দেওয়ানি আইন করছে ভারত, বিপাকে মুসলিমরা

আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোটের শাসিত সব রাজ্যে ২০২৯ সালের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে এই উদ্যোগ বিশেষ করে, দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ভারতের ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষ একই ধরনের ফৌজদারি আইনের আওতায় থাকলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারের  মতো ব্যক্তিগত বিষয়ে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নিজস্ব রীতি ও আইন অনুসরণ করা হয়।

এসব ভিন্ন আইন ও রীতির পরিবর্তে সবার জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা বিজেপির দীর্ঘদিনের অন্যতম রাজনৈতিক লক্ষ্য।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অমিত শাহ বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) শাসিত ২১টি রাজ্যেই এই আইন কার্যকর করার বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি রাজ্যে ইউসিসি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালুর উদ্যোগ নিয়ে ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, অভিন্ন আইন চালু হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিজস্ব পারিবারিক রীতি পালনের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

অন্যদিকে, ইউসিসির সমর্থকদের দাবি, এই আইন নারীদের আরও সমান অধিকার নিশ্চিত করবে। এর মাধ্যমে বহুবিবাহ বন্ধ করা, ছেলে-মেয়ের সমান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করার মতো বিধান আনার কথা বলা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

ভারত   মুসলিম