ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান। বলেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

রোববার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এই তথ্য জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে। সেই পরিপত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেন।

বলেন, এখন থেকে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারা দেশে। সকল বাহিনী প্রধানদেরকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরইমধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সকল হেডকোয়ার্টার অবগত।

যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি। এক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়।

কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোন ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় রুটিন যেসব কমিটি আছে তারা দেখবে বলেও জানান তিনি।

রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান। বলেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

রোববার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এই তথ্য জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে। সেই পরিপত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেন।

বলেন, এখন থেকে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারা দেশে। সকল বাহিনী প্রধানদেরকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরইমধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সকল হেডকোয়ার্টার অবগত।

যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি। এক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়।

কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোন ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় রুটিন যেসব কমিটি আছে তারা দেখবে বলেও জানান তিনি।

রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।