ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

গাজার নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য ৫ হাজার ফিলিস্তিনি পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ মিশরের।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় নিরাপত্তা বাহিনীতে যোগ দিতে মিশর শত শত ফিলিস্তিনি পুলিশ অফিসারকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। একজন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা একটি বার্তা সংস্থাকে এ তথ্য জানান।

গত আগস্টে ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফার সাথে আলোচনার সময়, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এই প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। গাজার জন্য ৫,০০০ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানান, মার্চ মাসে কায়রোতে ৫০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তার একটি প্রথম দলকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর থেকে দুই মাসের কোর্সগুলো পুনরায় শুরু হয়েছে যাতে আরও শত শত লোককে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। 
তিনি বলেন, বাহিনীর সকল সদস্য গাজা থেকে নেয়া হবে এবং তাদের বেতন দেবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, যা অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় অবস্থিত।
২৬ বছর বয়সী একজন ফিলিস্তিনি পুলিশ অফিসার বলেন, ‘প্রশিক্ষণে আমি খুবই খুশি। আমরা যুদ্ধ এবং আগ্রাসনের স্থায়ী অবসান চাই এবং আমরা আমাদের দেশ এবং নাগরিকদের সেবা করতে আগ্রহী।’

এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থাকে আরও জানান, ‘তিনি আশা করেন যে নিরাপত্তা বাহিনীটি স্বাধীন হবে। কেবল ফিলিস্তিনের প্রতি অনুগত এবং বহিরাগত জোট বা কোনো উদ্দেশ্যের অধীন হবে না।’
নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকজন ফিলিস্তিনি লেফটেন্যান্ট বলেন, ‘আমরা সীমান্ত নজরদারির জন্য আধুনিক সরঞ্জামসহ অসাধারণ অপারেশনাল প্রশিক্ষণ পেয়েছি।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশিক্ষণে  ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে এবং একটি সম্পূর্ণ সার্বভৌম ও স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র তৈরির স্বপ্ন রক্ষা করার গুরুত্বের উপর জোর দেয়া হয়েছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াদ হাব আল-রিহকে প্রশিক্ষণের বিষয়ে মিশরের সাথে সমন্বয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজার নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য ৫ হাজার ফিলিস্তিনি পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ মিশরের।

আপডেট সময় : ০৪:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় নিরাপত্তা বাহিনীতে যোগ দিতে মিশর শত শত ফিলিস্তিনি পুলিশ অফিসারকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। একজন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা একটি বার্তা সংস্থাকে এ তথ্য জানান।

গত আগস্টে ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফার সাথে আলোচনার সময়, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এই প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। গাজার জন্য ৫,০০০ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানান, মার্চ মাসে কায়রোতে ৫০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তার একটি প্রথম দলকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর থেকে দুই মাসের কোর্সগুলো পুনরায় শুরু হয়েছে যাতে আরও শত শত লোককে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। 
তিনি বলেন, বাহিনীর সকল সদস্য গাজা থেকে নেয়া হবে এবং তাদের বেতন দেবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, যা অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় অবস্থিত।
২৬ বছর বয়সী একজন ফিলিস্তিনি পুলিশ অফিসার বলেন, ‘প্রশিক্ষণে আমি খুবই খুশি। আমরা যুদ্ধ এবং আগ্রাসনের স্থায়ী অবসান চাই এবং আমরা আমাদের দেশ এবং নাগরিকদের সেবা করতে আগ্রহী।’

এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থাকে আরও জানান, ‘তিনি আশা করেন যে নিরাপত্তা বাহিনীটি স্বাধীন হবে। কেবল ফিলিস্তিনের প্রতি অনুগত এবং বহিরাগত জোট বা কোনো উদ্দেশ্যের অধীন হবে না।’
নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকজন ফিলিস্তিনি লেফটেন্যান্ট বলেন, ‘আমরা সীমান্ত নজরদারির জন্য আধুনিক সরঞ্জামসহ অসাধারণ অপারেশনাল প্রশিক্ষণ পেয়েছি।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশিক্ষণে  ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে এবং একটি সম্পূর্ণ সার্বভৌম ও স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র তৈরির স্বপ্ন রক্ষা করার গুরুত্বের উপর জোর দেয়া হয়েছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াদ হাব আল-রিহকে প্রশিক্ষণের বিষয়ে মিশরের সাথে সমন্বয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।