ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

জরিমানার ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা মেরে দিল মাতবর

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার ধামরাইয়ে শিশু ধর্ষণের ঘটনায়  গ্রাম্য সালিশি  বৈঠকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পুরো টাকাই মেরে দিয়েছে মাতাব্বররা।

শিশুর ইজ্জতের মূল্য হিসেবে ওই  জরিমানার কানা করিও পায়নি ধর্ষিতা শিশুর পরিবারটি। সাবেক ইউপি মেম্বার মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এ সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।

এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গান গুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাতকড়া এলাকায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বুধবার দুপুরে এক শিশুকে ধর্ষণ করে ইট ভাটার নৈশপ্রহরী মো. আব্দুর রশিদ নামে এক বৃদ্ধ।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে ধর্ষকের  পরিবার সাবেক ইউপি মেম্বার  আনোয়ার হোসেনের শরণাপন্ন হন। ইউপি মেম্বার স্থানীয় কতিপয় ঘুষখোর মাতব্বরদের নিয়ে তার নিজ বাড়িতে  সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। সালিশি বৈঠকে ধর্ষিতা শিশুর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

ধর্ষক আব্দুর রশিদের কাছ থেকে নগদ ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা আদায় করা হয়। আদায় করা টাকা ধর্ষিতার পরিবারকে দেওয়া হয়নি। পুরো টাকা মাতাব্বররা ভাগ বাটোরা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ধর্ষিতার বাবা বলেন, আব্দুর রশিদ আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে। মাতাব্বররা আমার মেয়ের ইজ্জতের মূল্য হিসেবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ধর্ষকের কাছ থেকে আদায় করে পুরো টাকা মাতাব্বররা মেরে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে  সাবেক  ইউপি  মেম্বার আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি এমন কোন সালিশ করিনি। ধর্ষক ও ধর্ষিতার পরিবার আপস  মীমাংসা  করেই আমার বাড়িতে আসে। কত টাকা আদায় করা হয়েছে আমি এ ব্যাপারে কিছু  জানিনা। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

জরিমানার ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা মেরে দিল মাতবর

আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

ঢাকার ধামরাইয়ে শিশু ধর্ষণের ঘটনায়  গ্রাম্য সালিশি  বৈঠকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পুরো টাকাই মেরে দিয়েছে মাতাব্বররা।

শিশুর ইজ্জতের মূল্য হিসেবে ওই  জরিমানার কানা করিও পায়নি ধর্ষিতা শিশুর পরিবারটি। সাবেক ইউপি মেম্বার মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এ সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।

এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গান গুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাতকড়া এলাকায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বুধবার দুপুরে এক শিশুকে ধর্ষণ করে ইট ভাটার নৈশপ্রহরী মো. আব্দুর রশিদ নামে এক বৃদ্ধ।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে ধর্ষকের  পরিবার সাবেক ইউপি মেম্বার  আনোয়ার হোসেনের শরণাপন্ন হন। ইউপি মেম্বার স্থানীয় কতিপয় ঘুষখোর মাতব্বরদের নিয়ে তার নিজ বাড়িতে  সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। সালিশি বৈঠকে ধর্ষিতা শিশুর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

ধর্ষক আব্দুর রশিদের কাছ থেকে নগদ ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা আদায় করা হয়। আদায় করা টাকা ধর্ষিতার পরিবারকে দেওয়া হয়নি। পুরো টাকা মাতাব্বররা ভাগ বাটোরা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ধর্ষিতার বাবা বলেন, আব্দুর রশিদ আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে। মাতাব্বররা আমার মেয়ের ইজ্জতের মূল্য হিসেবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ধর্ষকের কাছ থেকে আদায় করে পুরো টাকা মাতাব্বররা মেরে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে  সাবেক  ইউপি  মেম্বার আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি এমন কোন সালিশ করিনি। ধর্ষক ও ধর্ষিতার পরিবার আপস  মীমাংসা  করেই আমার বাড়িতে আসে। কত টাকা আদায় করা হয়েছে আমি এ ব্যাপারে কিছু  জানিনা। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।