ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই এমপি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

লেবার পাটির্র দুই সংসদ সদস্য জিভুন সান্দের ও লুইস জোন্স। ছবি: সংগৃহীত

আড়াই বছর আগে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালানোর সময় পরিচয় হয় জিভুন সান্দের ও লুইস জোন্সের। এরপর থেকেই দুজনের সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। গত বছর দুই জন ব্রিটেনের পার্লামেন্টের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সম্প্রতি তারা বিয়ে করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির দুই পার্লামেন্ট সদস্য সম্প্রতি তাদের বিয়ের খবর ঘোষণা করেছেন।

লুইস জোন্স ফেসবুকে লেখেন, ‘আগস্ট মাসে আমি আমার অসাধারণ সঙ্গী জিভুন সান্দেরকে বিয়ে করেছি। আমাদের একটি সুন্দর বিয়ে হয়েছে, যেখানে আমাদের দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে একত্রিত করা হয়েছিল। এটি আমাদের নতুন জীবনের শুরুকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।’
 
তিনি আরও বলেন, তার পদবি পরিবর্তন করে সান্দের-জোন্স রাখবেন। শিগগির তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেও এই নাম দেখা যাবে। তবে তার পার্লামেন্টের ইমেইল ঠিকানা আপাতত একই থাকবে।
বিবিসি বলছে, দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্য পালন করার জন্য এক সপ্তাহ ধরে বিয়ের নানা অনুষ্ঠান চলেছে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জিভুন ও জোন্সের প্রথম দেখা হয়েছিল। ওই সময় জোন্স লফবরো-তে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছিলেন এবং জিভুন সান্দেরও সেখানে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
 
গত বছর বিবিসিকে জীভুন সান্দের বলেছিলেন, যত তাকে চিনতে পেরেছি, তত তার প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির কঠিন জীবন সম্পর্কে তাদের দুজনেরই বোঝাপড়া তাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
বিবিসি বলছে, দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্য পালন করার জন্য এক সপ্তাহ ধরে বিয়ের নানা অনুষ্ঠান চলেছে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জিভুন ও জোন্সের প্রথম দেখা হয়েছিল। ওই সময় জোন্স লফবরো-তে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছিলেন এবং জিভুন সান্দেরও সেখানে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
 
গত বছর বিবিসিকে জীভুন সান্দের বলেছিলেন, যত তাকে চিনতে পেরেছি, তত তার প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির কঠিন জীবন সম্পর্কে তাদের দুজনেরই বোঝাপড়া তাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই এমপি

আপডেট সময় : ০৮:১৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

লেবার পাটির্র দুই সংসদ সদস্য জিভুন সান্দের ও লুইস জোন্স। ছবি: সংগৃহীত

আড়াই বছর আগে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালানোর সময় পরিচয় হয় জিভুন সান্দের ও লুইস জোন্সের। এরপর থেকেই দুজনের সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। গত বছর দুই জন ব্রিটেনের পার্লামেন্টের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সম্প্রতি তারা বিয়ে করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির দুই পার্লামেন্ট সদস্য সম্প্রতি তাদের বিয়ের খবর ঘোষণা করেছেন।

লুইস জোন্স ফেসবুকে লেখেন, ‘আগস্ট মাসে আমি আমার অসাধারণ সঙ্গী জিভুন সান্দেরকে বিয়ে করেছি। আমাদের একটি সুন্দর বিয়ে হয়েছে, যেখানে আমাদের দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে একত্রিত করা হয়েছিল। এটি আমাদের নতুন জীবনের শুরুকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।’
 
তিনি আরও বলেন, তার পদবি পরিবর্তন করে সান্দের-জোন্স রাখবেন। শিগগির তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেও এই নাম দেখা যাবে। তবে তার পার্লামেন্টের ইমেইল ঠিকানা আপাতত একই থাকবে।
বিবিসি বলছে, দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্য পালন করার জন্য এক সপ্তাহ ধরে বিয়ের নানা অনুষ্ঠান চলেছে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জিভুন ও জোন্সের প্রথম দেখা হয়েছিল। ওই সময় জোন্স লফবরো-তে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছিলেন এবং জিভুন সান্দেরও সেখানে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
 
গত বছর বিবিসিকে জীভুন সান্দের বলেছিলেন, যত তাকে চিনতে পেরেছি, তত তার প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির কঠিন জীবন সম্পর্কে তাদের দুজনেরই বোঝাপড়া তাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
বিবিসি বলছে, দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির ঐতিহ্য পালন করার জন্য এক সপ্তাহ ধরে বিয়ের নানা অনুষ্ঠান চলেছে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জিভুন ও জোন্সের প্রথম দেখা হয়েছিল। ওই সময় জোন্স লফবরো-তে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছিলেন এবং জিভুন সান্দেরও সেখানে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
 
গত বছর বিবিসিকে জীভুন সান্দের বলেছিলেন, যত তাকে চিনতে পেরেছি, তত তার প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির কঠিন জীবন সম্পর্কে তাদের দুজনেরই বোঝাপড়া তাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।