ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভালুকায় ঘর থেকে নারী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি বাসা থেকে এক নারী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে ভালুকা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলার সেনের বাজার এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ময়না বেগম (২৫), তার মেয়ে রাইসা (৭) ও ছেলে নীরব (২)।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা সূত্রে জানা গেছে, ভালুকা পৌরসভার পনাশাইল রোডের হাইয়ুম মিয়ার বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়ায় থাকতেন রফিকুল ইসলাম।

তিনি ভালুকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সোমবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থল থেকে ফিরে বাসার দরজা বন্ধ দেখতে পান রফিকুল। পরে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে বিছানার উপর স্ত্রীসহ দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।ঘটনার পর থেকে ওই বাসার পাশের কক্ষে বসবাসকারী রফিকুলের ভাই নজরুল পলাতক রয়েছেন।  এদিকে খবর পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।

রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি ও আমার ভাই নজরুল ইসলাম ওই বাসায় পাশাপাশি কক্ষে ভাড়ায় থাকি। সোমবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থল থেকে ফিরে বাসার দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়া না পেয়ে একজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে বিছানার উপর স্ত্রীসহ দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পাই।

বাড়ির মালিক হাইয়ুম জানান, রফিকুল ইসলাম প্রায় দেড় মাস আগে ওই বাসায় উঠেন। ঘটনার সময় তিনি পৌরসভায় কর্মস্থলে ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ঘরের ভেতর বিছানার ওপর মাসহ দুই সন্তানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

ভালুকা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। কী ঘটেছিল, সেটা উদঘাটনে কাজ চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

ভালুকায় ঘর থেকে নারী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি বাসা থেকে এক নারী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে ভালুকা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলার সেনের বাজার এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ময়না বেগম (২৫), তার মেয়ে রাইসা (৭) ও ছেলে নীরব (২)।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা সূত্রে জানা গেছে, ভালুকা পৌরসভার পনাশাইল রোডের হাইয়ুম মিয়ার বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়ায় থাকতেন রফিকুল ইসলাম।

তিনি ভালুকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সোমবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থল থেকে ফিরে বাসার দরজা বন্ধ দেখতে পান রফিকুল। পরে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে বিছানার উপর স্ত্রীসহ দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।ঘটনার পর থেকে ওই বাসার পাশের কক্ষে বসবাসকারী রফিকুলের ভাই নজরুল পলাতক রয়েছেন।  এদিকে খবর পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।

রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি ও আমার ভাই নজরুল ইসলাম ওই বাসায় পাশাপাশি কক্ষে ভাড়ায় থাকি। সোমবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থল থেকে ফিরে বাসার দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়া না পেয়ে একজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে বিছানার উপর স্ত্রীসহ দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পাই।

বাড়ির মালিক হাইয়ুম জানান, রফিকুল ইসলাম প্রায় দেড় মাস আগে ওই বাসায় উঠেন। ঘটনার সময় তিনি পৌরসভায় কর্মস্থলে ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ঘরের ভেতর বিছানার ওপর মাসহ দুই সন্তানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

ভালুকা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। কী ঘটেছিল, সেটা উদঘাটনে কাজ চলছে।