ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০

পাকিস্তানে চলমান মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ)।

এরপরই প্রাণহানির সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে যায়। শনিবার (১২ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, পাঞ্জাব প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে আরও ২ জনের। গত ২৬ জুন থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩৯ জন মারা গেছেন এবং ১০৩ জন আহত হয়েছেন। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের এবং আহত হয়েছেন ৫১ জন।

বেলুচিস্তানে শনিবার মারা গেছেন ৩ জন। সেখানে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের, আহত আরও ৪ জন। সিন্ধু প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের, আহত আরও ৩৭। আজাদ জম্মু ও কাশ্মির এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ১ জনের, আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।

পাকিস্তানে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে নিয়মিত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এই সময়ে পাহাড়ি ও উত্তরের এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জাতীয় ও স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে, রাস্তা-ঘাট ও ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জায়গায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পাকিস্তানে বৃষ্টির তীব্রতা ও সময়কাল আরও অপ্রত্যাশিত হয়ে উঠছে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০

আপডেট সময় : ০২:৩৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

পাকিস্তানে চলমান মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ)।

এরপরই প্রাণহানির সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে যায়। শনিবার (১২ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, পাঞ্জাব প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে আরও ২ জনের। গত ২৬ জুন থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩৯ জন মারা গেছেন এবং ১০৩ জন আহত হয়েছেন। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের এবং আহত হয়েছেন ৫১ জন।

বেলুচিস্তানে শনিবার মারা গেছেন ৩ জন। সেখানে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের, আহত আরও ৪ জন। সিন্ধু প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের, আহত আরও ৩৭। আজাদ জম্মু ও কাশ্মির এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ১ জনের, আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।

পাকিস্তানে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে নিয়মিত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এই সময়ে পাহাড়ি ও উত্তরের এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জাতীয় ও স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে, রাস্তা-ঘাট ও ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জায়গায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পাকিস্তানে বৃষ্টির তীব্রতা ও সময়কাল আরও অপ্রত্যাশিত হয়ে উঠছে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।