ভোট চান, হেফাজতে ইসলামের কথা বলে ভোট চান, আহলে হাদিসের নামে ভোট চান। আমার আপত্তি নেই। মানুষ যদি আপনাদের ভোট দেয়, ইসলামের কথা শুনে যদি ভোট দেয়, আপনি দেশ চালান। আপনাকে আমি স্যালুট করব।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের এ উপদেষ্টা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে হাসিনার কোনো সম্পর্ক নেই। হাসিনা আর মুক্তিযুদ্ধ এক নয়। এখন হাসিনা ফেল করেছে, তাই বলে তার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ তো ফেল করেনি। একটা জাতির মুক্তিযুদ্ধ কখনো ফেল করে না। যারা এসব বলছে, তারা মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করতে চায়, ছোট করতে চায়।
নিজের নির্বাচনী এলাকা ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আল্লাহর পরে এই এলাকার মানুষ হচ্ছে আমার মালিক। আমি নেতা না, আমি আপনাদের গোলাম। আমি এখানকার প্রতিনিধি হতে পারলে এখানে যেমন ওয়াজ হবে, তেমনি ফুটবল খেলা হবে, সংস্কৃতিচর্চা হবে। ইসলামি শিক্ষা যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে জ্ঞান-বিজ্ঞাননির্ভর আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। থাকবে মানুষের জীবন-জীবিকার অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সাধারণত তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হতে হয়। আপনারা আট মাস পার করে ফেলেছেন। নানা অজুহাতে ও সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্বিত করছেন। কখনো বলেন ডিসেম্বরে, কখনো বলেন জুনে।
আমরা হাসিনা সরকারকে বিদায় করেছি নতুন আরেকটি সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর জন্য। কাজেই দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। অনির্বাচিতদের হাতে বেশি দিন দেশ থাকতে পারে না। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মালিকদের পছন্দের সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এটাই হচ্ছে আমাদের প্রধান চাওয়া।’
বিএনপি নেতা সৈয়দ সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল, সদর বিএনপির সভাপতি সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু, সাধারণ সম্পাদক মো. দানাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 






































