ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের কারাগার, দিল্লির সরকার নিয়ন্ত্রণ করতো মাওলানা এ টি এম মাছুম

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম বলেন,আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা ক্ষমতায় এসে দেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করেছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।এটিএম আজহারুল ইসলামের মতো নেতা যে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে তাদের অন্যায়ভাবে ১৩ বছর কারাগারে রেখেছে।৫ আগস্টের পর ৬ মাস হয়ে গেলেও তাকে মুক্ত না করায় আমরা বাধ্য হয়ে মাঠে নেমেছি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে নোয়াখালী জেলায় আজ বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে দলটি নোয়াখালী মাইজদী জজকোর্ট সংলগ্ন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিকাল ৩টায় এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম ।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দোশ্যে বলেন বলেন আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে অত্যন্ত যোগ্য ড ইউনুস পেয়েছি কিন্তু তার চারপাশের লোকজন তাকে সঠিক পথে আগাতে দিচ্ছে না বলে আমরা বিশ্বাস করি।

জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে বক্তব্য, সমাবেশ ও শান্তিপূর্ণ মিছিলের মাধ্যমে আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে

এটিএম আজহারুল ইসলামকে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আইসিটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয় জামায়াতের দাবি তাকে ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আটক রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে এমনকি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে দলটির নেতারা অভিযোগ করেন স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাস ৯ দিন পরও আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়নি যা জাতিকে হতবাক করেছে

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা এই সমাবেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের লড়াই হিসাবে বর্ণনা করেছেন তারা দৃঢ়ভাবে জানান আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আজহারুলের ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত মাওলানা এটিএম মাছুম তার ভাষণে সরকারের প্রতি ৭ দিনের মধ্যে আজহারুলসহ সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দেওয়ার চূড়ান্ত আলটিমেটাম পুনর্ব্যক্ত করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ছিলেন নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা সাইয়েদ আহামেদ ,নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল ইসলাম, নোয়াখালী শহর জামায়াতের সভাপতি মো ইউসুফ, সভাপতি,নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির এডভোকেট তাজুল ইসলাম,নোয়াখালী শহর শিবিরের হাবিবুর রহমান আরমান।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মীদরা,,তাদের স্লোগান স্লোগান এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি চাই, ফ্যাসিবাদের চামড়া তুলে নিব আমরা।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে ডিসি অফিস ও প্রধান সড়ক হয়ে পৌরবাজার গিয়ে শেষ হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

বাংলাদেশের কারাগার, দিল্লির সরকার নিয়ন্ত্রণ করতো মাওলানা এ টি এম মাছুম

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম বলেন,আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা ক্ষমতায় এসে দেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করেছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।এটিএম আজহারুল ইসলামের মতো নেতা যে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে তাদের অন্যায়ভাবে ১৩ বছর কারাগারে রেখেছে।৫ আগস্টের পর ৬ মাস হয়ে গেলেও তাকে মুক্ত না করায় আমরা বাধ্য হয়ে মাঠে নেমেছি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে নোয়াখালী জেলায় আজ বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে দলটি নোয়াখালী মাইজদী জজকোর্ট সংলগ্ন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিকাল ৩টায় এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম ।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দোশ্যে বলেন বলেন আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে অত্যন্ত যোগ্য ড ইউনুস পেয়েছি কিন্তু তার চারপাশের লোকজন তাকে সঠিক পথে আগাতে দিচ্ছে না বলে আমরা বিশ্বাস করি।

জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে বক্তব্য, সমাবেশ ও শান্তিপূর্ণ মিছিলের মাধ্যমে আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে

এটিএম আজহারুল ইসলামকে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আইসিটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয় জামায়াতের দাবি তাকে ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আটক রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে এমনকি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে দলটির নেতারা অভিযোগ করেন স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাস ৯ দিন পরও আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়নি যা জাতিকে হতবাক করেছে

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা এই সমাবেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের লড়াই হিসাবে বর্ণনা করেছেন তারা দৃঢ়ভাবে জানান আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আজহারুলের ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত মাওলানা এটিএম মাছুম তার ভাষণে সরকারের প্রতি ৭ দিনের মধ্যে আজহারুলসহ সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দেওয়ার চূড়ান্ত আলটিমেটাম পুনর্ব্যক্ত করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ছিলেন নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা সাইয়েদ আহামেদ ,নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল ইসলাম, নোয়াখালী শহর জামায়াতের সভাপতি মো ইউসুফ, সভাপতি,নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির এডভোকেট তাজুল ইসলাম,নোয়াখালী শহর শিবিরের হাবিবুর রহমান আরমান।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মীদরা,,তাদের স্লোগান স্লোগান এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি চাই, ফ্যাসিবাদের চামড়া তুলে নিব আমরা।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে ডিসি অফিস ও প্রধান সড়ক হয়ে পৌরবাজার গিয়ে শেষ হয়।