দেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নোয়াখালী জেলায় এক বিশাল র্যালির আয়োজন করেছে। “শিক্ষা, অধিকার ও প্রগতি” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, কর্মী ও স্থানীয় জনতা অংশগ্রহণ করেন, যারা সকলেই ছাত্র অধিকার ও সামাজিক সংস্কারের অঙ্গীকারে একত্রিত হয়েছেন।
র্যালি শেষে নোয়াখালী পৌর অডিটোরিয়াম হলে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবদুর জাহের এবং বিষেশ অতিথি হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটির অন্যতম সদস্য তুহিন ইমরান সহ গণ অধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
আবদুর জাহের তার বক্তব্যে শিবির ট্যাগ দেওয়ার প্রথা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমলে সকল ট্যাগ চলত, এখন আর এই সস্তা ট্যাগ চলবে না।”
তুহিন ইমরান তার বক্তব্যে বলেন, “আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হওয়ার কারণে নুরুল হক নুর ও রাশেদদের কাছ থেকে দেখেছি, যখন আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি হল একটি ক্যাম্পাস আওয়ামী লীগের ইজারা প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছিল, তখন আলোর ঝংকার দেখা গিয়েছে।”
অনুষ্ঠানে অধিকার পরিষদের শতাধিক ছাত্র স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন নোয়াখালী শহরের রাজপথ ও অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণ।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ছাত্র অধিকারের সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গত কয়েক বছরে তারা অসংখ্য প্রচারণা, র্যালি এবং ফ্যাসিস্টবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে, যা সারা দেশের শিক্ষার্থী ও কর্মীদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।
র্যালি ও বৈঠক শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ন্যায়সঙ্গত ও সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ার জন্য তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। শিক্ষা, অধিকার ও প্রগতির নীতিগুলোকে পুনর্ব্যক্ত করে এই ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন সংগঠনের স্থায়ী অবদান এবং বাংলাদেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ গঠনে তাদের ভূমিকার একটি শক্তিশালী অনুস্মারক হিসেবে কাজ করেছে।
সাদ্দাম হোসেন রকি 




































