ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুল্ক ইস্যুতে রবিবার মিটিং চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্ত নিয়ে তৃতীয় দফায় আলোচনার জন্য নির্দিষ্টভাবে আগামী রবিবার (২৭ জুলাই) সময় চেয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর ইউএসটিআরকে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সময় পেলে সে অনুযায়ী চূড়ান্ত আলোচনা করতে রওনা দেবে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। নির্ধারিত দিনে যুক্তরাষ্ট্র সময় না দিয়ে অন্য কোনো দিন সময় দিলে, সে অনুযায়ী যাবেন তারা।

জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়ার আলোকে আমরা মঙ্গলবার ইউএসটিআরকে বাংলাদেশের অবস্থানপত্র পাঠিয়েছি। পাশাপাশি আগামী সপ্তাহে বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় চেয়ে চিঠিও দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের অনুরোধ অনুযায়ী তারা যদি বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে, আমরা সেই অনুযায়ী যাবো। না হলে, যুক্তরাষ্ট্র যখন সময় দেবে, তখনই যাবো।

গত ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে একাধিক চুক্তির খসড়া কাগজপত্র পাঠানো হয়। বিষয়টি নিয়ে তৃতীয় রাউন্ড আলোচনার জন্য ২১ জুলাই ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিমান টিকিটও বুকিং দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

কিন্তু গত বুধবার ইউএসটিআর এক ইমেইলে তাদের কাছ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময় না নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদের যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়। কারণ হিসেবে জানানো হয়, ইউএসটিআরের কর্মকর্তারা বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

তৃতীয় রাউন্ড আলোচনায় বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে থাকবেন জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ আরো কয়েকজন কর্মকর্তা।

দ্বিতীয় রাউন্ড আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সেইবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন ৩০ থেকে ৪০ জন কর্মকর্তা, আর বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন মাত্র তিন-চার জন। ফলে দরকষাকষিতে বাংলাদেশ খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। তৃতীয় রাউন্ডে সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার প্রতিনিধিদলে অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

শুল্ক ইস্যুতে রবিবার মিটিং চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্ত নিয়ে তৃতীয় দফায় আলোচনার জন্য নির্দিষ্টভাবে আগামী রবিবার (২৭ জুলাই) সময় চেয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর ইউএসটিআরকে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সময় পেলে সে অনুযায়ী চূড়ান্ত আলোচনা করতে রওনা দেবে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। নির্ধারিত দিনে যুক্তরাষ্ট্র সময় না দিয়ে অন্য কোনো দিন সময় দিলে, সে অনুযায়ী যাবেন তারা।

জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়ার আলোকে আমরা মঙ্গলবার ইউএসটিআরকে বাংলাদেশের অবস্থানপত্র পাঠিয়েছি। পাশাপাশি আগামী সপ্তাহে বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় চেয়ে চিঠিও দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের অনুরোধ অনুযায়ী তারা যদি বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে, আমরা সেই অনুযায়ী যাবো। না হলে, যুক্তরাষ্ট্র যখন সময় দেবে, তখনই যাবো।

গত ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে একাধিক চুক্তির খসড়া কাগজপত্র পাঠানো হয়। বিষয়টি নিয়ে তৃতীয় রাউন্ড আলোচনার জন্য ২১ জুলাই ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিমান টিকিটও বুকিং দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

কিন্তু গত বুধবার ইউএসটিআর এক ইমেইলে তাদের কাছ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময় না নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদের যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়। কারণ হিসেবে জানানো হয়, ইউএসটিআরের কর্মকর্তারা বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

তৃতীয় রাউন্ড আলোচনায় বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে থাকবেন জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ আরো কয়েকজন কর্মকর্তা।

দ্বিতীয় রাউন্ড আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সেইবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন ৩০ থেকে ৪০ জন কর্মকর্তা, আর বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন মাত্র তিন-চার জন। ফলে দরকষাকষিতে বাংলাদেশ খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। তৃতীয় রাউন্ডে সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার প্রতিনিধিদলে অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।