ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফের ১০ ডিগ্রির নিচে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে আবারও তাপমাত্রা নামল ১০ ডিগ্রির নিচে। ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তবে তাপমাত্রা উঠানামা করায় বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রবণতা।

সকালে জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জানায়, রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাত দুই রকম তাপমাত্রা অনুভব করছেন তারা। সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তীব্র কনকনে শীতে হাড় কাঁপছে তাদের। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসছে এমন অনুভব করছেন তারা। এ রাতে একাধিক কম্বল লেপ নিলেও মনে হয় ঠান্ডা লাগে। বিছানা, ঘরের ফ্লোর, আসবাপত্র সবকিছুই বরফ হয়ে ওঠে। উপায়ন্তর না পেয়ে সন্ধ্যা-ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন তারা। দিনে রাতে দুই রকম তাপমাত্রার কারণে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা।

জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আজকে আবার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমেছে। একদিনের ব্যবধানে গতকাল রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার একদিন পরে আজ সোমবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শনিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সেই হিসেবে এটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

ফের ১০ ডিগ্রির নিচে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

পঞ্চগড়ে আবারও তাপমাত্রা নামল ১০ ডিগ্রির নিচে। ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তবে তাপমাত্রা উঠানামা করায় বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রবণতা।

সকালে জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জানায়, রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাত দুই রকম তাপমাত্রা অনুভব করছেন তারা। সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তীব্র কনকনে শীতে হাড় কাঁপছে তাদের। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসছে এমন অনুভব করছেন তারা। এ রাতে একাধিক কম্বল লেপ নিলেও মনে হয় ঠান্ডা লাগে। বিছানা, ঘরের ফ্লোর, আসবাপত্র সবকিছুই বরফ হয়ে ওঠে। উপায়ন্তর না পেয়ে সন্ধ্যা-ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন তারা। দিনে রাতে দুই রকম তাপমাত্রার কারণে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা।

জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আজকে আবার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমেছে। একদিনের ব্যবধানে গতকাল রোববার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার একদিন পরে আজ সোমবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শনিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সেই হিসেবে এটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।