বড়দিন ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে পাহাড় প্রিয়দের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পর্যটন নগরী বান্দরবান। জেলার মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরিসহ সবগুলো দর্শনীয় স্থানে এখন পর্যটকের ভিড়। শুধু তাই নয় হোটেল মোটেলরিসোর্ট গুলোও কানায় কানায় পরিপূর্ণ। মূলত, প্রকৃতির অপার সৌন্দয্যর্রে লীলাভূমি পাহাড় কন্যা বান্দরবান।
পাহাড়ের এই অপরূপ সৌন্দয্যর্ দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই ছুটি আসেন শত শত পর্যটক। আর সরকারী ছুটি বা সাপ্তাহিক ছুটিতে এ ভীড় বেড়ে যায় আরো কয়েক গুন। এবারও বড়দিন ও সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পাহাড় প্রিয়দের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পর্যটন নগরী বান্দরবান। জেলার মেঘলা, নীলাচল,শৈলপ্রপাত, প্রান্তিকলেক, চিম্বুক, নীলগিরিসহ সবগুলো দর্শনীয় স্থানে এখন পর্যটকের ভিড়। শুধু তাই নয় হোটেল মোটেল রিসোর্ট গুলোও কানায় কানায় পরিপূর্ণ। বছর শেষে ছেলে মেয়েদের স্কুল বন্ধ থাকায় পরিবার পরিজন, বন্ধু—বান্ধকদের নিয়ে পর্যটকরা অবকাশ যাপনে ছুটে এসেছে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে।
চাঁদের গাড়ীতে করে ঘুরে বেড়াচ্ছে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে।আঁকাবাকা রাস্তা, উঁচু নিচু পাহাড়ের ভাজে ভাজে মেঘের মিতালী, কোলাহল মুক্তপরিবেশে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা। ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা এক দম্পতী বলেন, আসলে আমরা স্বামী—স্ত্রী জব করি। ছুটির কারণে ঘুরতে আসা হয় না।

এবার বড়দিন ও সাপ্তাহিক ছুটি সব মিলিলে লম্বা ছুটি থাকায় পরিবার নিয়ে চলে আসলাম বান্দরবানে। আসলে বান্দরবান এমন একটি জেলা যেখানে একবার না বার বার আসতে মন চাই।
মেঘের সাথে পাহাড়ের মিতালী, ঝর্ণা দেখে মন ভরে যায়। ইট পাথরের শহরের থাকতে থাকতে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই স্বত্বির নিশ^াস নিতে সরাসরি বান্দরবানে চলে আসলাম।
বান্দরবানের বিভিন্ন পর্যটন স্পষ্ট ঘুরে অসম্ভব ভালো লাগতেছে, যা বলে বুঝানো যাবে না। তাই যারা এখনো বান্দরবানে আসেন নাই, তাদেরকে বলবো জীবনে একবার হলেও বান্দরবানে ঘুরতে আসেন, না হয় পৃথিবী যে এত সুন্দর তা বুঝা যাবে না। এদিকে বড়দিন ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকের প্রচুর সাড়া পাচ্ছে হোটেল ব্যবসায়ীরা।
দীর্ঘদিন পর আশানুরূপ পর্যটক আশায় খুশি পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।হোটেল ডিমোর এর অপারেশনাল ম্যানেজার হ্যাপী মার্মা বলেন, বিভিন্ন কারণে বান্দরবানে দীর্ঘদিন পর্যটক আসে নাই। প্রশাসনের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন পর্যটন স্পষ্ট খুলে দেয়ায় পর্যটক আসতে শুরু করেছে।

শীত মৌসুম পাশাপাশি ছেলে—মেয়েদের স্কুল বন্ধ ও বিভিন্ন ছুটির কারণে বান্দরবানে প্রচুর পর্যটক আসতেছে, আমাদের হোটেলে অধিকাংশ রুম ইতোমধ্যে বুকিং রয়েছে। সামনে আরো বুকিং পাবো। আশা করছি এ অবস্থা চলতে থাকলে বিগত দিনের ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবো। সট দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকদের ভ্রমণ নিরাপত্তার বিষয়ে বান্দরবান ট্যুরিষ্ট পুলিশের উপপরিদর্শক মো: শাহীন মিয়া বলেন, বড়দিন ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে বান্দরবানে প্রচুর পর্যটক আসছে। আগত পর্যটকরা যাতে করে নির্বিঘ্নে বান্দরবানের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে বেড়াতে পারে সেজন্য ট্যুরিষ্ট পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলায় পর্যটকদের সেবায় রয়েছে শতাধিক হোটেল মোটেল রিসোর্ট গেস্ট হাউস। এছাড়াও পর্যটক পরিবহনে রয়েছে ৪ শতাধিক চাঁদের গাড়ী, সব মিলিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জেলার ২০ হাজার মানুষ পর্যটন ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট।
সোহেল কান্তি নাথ 




































