ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে নোয়াখালীতে স্মরণসভা

চব্বিশের জুলাই-আগষ্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে নোয়াখালীত স্মরণসভার আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় নোয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণসভায় চব্বিশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থানে নোয়াখালী আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং আন্দোলনে অংশ নেয়া ছাত্র সমন্বয়করা তাদের স্মৃতিচারণ করেন। এরপর শহীদদের স্মরণে দোয়ার আয়োজন করা হয়।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেও বারবার ব্যার্থ হয়েছে। কিন্তু চব্বিশের মহানায়ক ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে গিয়ে দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধ লক্ষ মানুষ।

রংপুরের ছাত্র আবু সাঈদের হত্যার মাধ্যমে স্বৈরাচার তার ফ্যাসিজমের প্রকৃত রূপ দেখিয়েও সার্থক হতে পারেনি। তারা গুলি করে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলো। কিন্তু তা পারেনি। পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তার অপকর্ম এখনো থেমে নেই। পতিত সরকারের দোসররাও এখনো বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে। দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এমুহুর্তে ঐক্যের বিকল্প নেই। তারা এখন হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা লাগাতে ইসকন নামের একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে।তাদের কোন ষড়যন্ত্রে কেউ আগ বাড়িয়ে পা দেয়া যাবেনা। পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের সবাইকে মন থেকে ঘৃনা করতে হবে।

স্মরণ সভা শেষে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

এসময় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ, পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ আল ফারুক, সিভিল সার্জন ডাঃ মাসুম ইফতেখার, জামায়াতে ইসলামী নোয়াখালী জেলা আমির ইসহাক খন্দকার, বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক লিয়াকত আলী খান সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে নোয়াখালীতে স্মরণসভা

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

চব্বিশের জুলাই-আগষ্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে নোয়াখালীত স্মরণসভার আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় নোয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণসভায় চব্বিশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থানে নোয়াখালী আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং আন্দোলনে অংশ নেয়া ছাত্র সমন্বয়করা তাদের স্মৃতিচারণ করেন। এরপর শহীদদের স্মরণে দোয়ার আয়োজন করা হয়।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেও বারবার ব্যার্থ হয়েছে। কিন্তু চব্বিশের মহানায়ক ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে গিয়ে দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধ লক্ষ মানুষ।

রংপুরের ছাত্র আবু সাঈদের হত্যার মাধ্যমে স্বৈরাচার তার ফ্যাসিজমের প্রকৃত রূপ দেখিয়েও সার্থক হতে পারেনি। তারা গুলি করে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলো। কিন্তু তা পারেনি। পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তার অপকর্ম এখনো থেমে নেই। পতিত সরকারের দোসররাও এখনো বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে। দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এমুহুর্তে ঐক্যের বিকল্প নেই। তারা এখন হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা লাগাতে ইসকন নামের একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে।তাদের কোন ষড়যন্ত্রে কেউ আগ বাড়িয়ে পা দেয়া যাবেনা। পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের সবাইকে মন থেকে ঘৃনা করতে হবে।

স্মরণ সভা শেষে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

এসময় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ, পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ আল ফারুক, সিভিল সার্জন ডাঃ মাসুম ইফতেখার, জামায়াতে ইসলামী নোয়াখালী জেলা আমির ইসহাক খন্দকার, বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক লিয়াকত আলী খান সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।