ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাওরাঞ্চলের ৮টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা

গত একদিনে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে হাওর অঞ্চলের তিনটি জেলার সাতটি নদীর মোট আটটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জ সদরে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে।

নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে এখন বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও তা এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। এছাড়া জারিয়াজঞ্জাইলে ভুগাই-কংশ নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোণা সদরে মগরা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে এবং আটপাড়া এলাকায় একই নদীর পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কালনি নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। একই জেলার সুতাং রেলসেতু এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার নদীগুলোর পানির স্তর ঘণ্টায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার হারে খুব ধীরে বাড়ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

হাওরাঞ্চলের ৮টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

গত একদিনে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে হাওর অঞ্চলের তিনটি জেলার সাতটি নদীর মোট আটটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জ সদরে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে।

নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে এখন বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও তা এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। এছাড়া জারিয়াজঞ্জাইলে ভুগাই-কংশ নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোণা সদরে মগরা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে এবং আটপাড়া এলাকায় একই নদীর পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কালনি নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। একই জেলার সুতাং রেলসেতু এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার নদীগুলোর পানির স্তর ঘণ্টায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার হারে খুব ধীরে বাড়ছে।