ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে এক বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা গেছে বলে জানিয়েছে ত্রিপোলি-ভিত্তিক চিকিৎসকদের একটি দল।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই উপকূল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। সংস্থাটি তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে উদ্ধারকাজের ছবিও প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যায়, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন।

উদ্ধারকৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ যথাযথ নিয়মে দাফন করা হয়েছে। এক বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ শনাক্তের পর তা ত্রিপোলিতে থাকা তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুই মরদেহের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ত্রিপোলি-ভিত্তিক কর্মকর্তারা জানান, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবি বা মরুভূমিতে পানি-খাদ্য সংকটে অনেকের মৃত্যু হয়। তবে জুওয়ারা উপকূলে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতদের সঠিক মৃত্যুর কারণ ও পরিচয় নিশ্চিত করতে আরও তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে নেটো-সমর্থিত বিদ্রোহে তৎকালীন একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধ, দরিদ্রতা ও অস্থিতিশীলতা থেকে বাঁচতে আফ্রিকা ও এশিয়ার হাজার হাজার মানুষ প্রাণপণ ঝুঁকি নিয়ে লিবিয়া হয়ে ইউরোপ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রতিবছর এ পথে প্রাণ হারান অসংখ্য অভিবাসী। বাংলাদেশিরাও এই বিপজ্জনক পথে ইউরোপ গমনের চেষ্টা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:১৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে এক বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা গেছে বলে জানিয়েছে ত্রিপোলি-ভিত্তিক চিকিৎসকদের একটি দল।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই উপকূল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। সংস্থাটি তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে উদ্ধারকাজের ছবিও প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যায়, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন।

উদ্ধারকৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ যথাযথ নিয়মে দাফন করা হয়েছে। এক বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ শনাক্তের পর তা ত্রিপোলিতে থাকা তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুই মরদেহের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ত্রিপোলি-ভিত্তিক কর্মকর্তারা জানান, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবি বা মরুভূমিতে পানি-খাদ্য সংকটে অনেকের মৃত্যু হয়। তবে জুওয়ারা উপকূলে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতদের সঠিক মৃত্যুর কারণ ও পরিচয় নিশ্চিত করতে আরও তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে নেটো-সমর্থিত বিদ্রোহে তৎকালীন একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধ, দরিদ্রতা ও অস্থিতিশীলতা থেকে বাঁচতে আফ্রিকা ও এশিয়ার হাজার হাজার মানুষ প্রাণপণ ঝুঁকি নিয়ে লিবিয়া হয়ে ইউরোপ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রতিবছর এ পথে প্রাণ হারান অসংখ্য অভিবাসী। বাংলাদেশিরাও এই বিপজ্জনক পথে ইউরোপ গমনের চেষ্টা করেন।