ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে কিশোরীর আত্মহত্যার অভিযোগ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বসতঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নুরতাজ আক্তার (১৬) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত নুরতাজ আক্তার উপজেলার ৯ নম্বর পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৈখাইন গ্রামের গুঁড়া মিয়া সওদাগরের বাড়ির বাসিন্দা আজাদুল ইসলামের মেয়ে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙা মোবাইল ফোন মেরামত করে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা কেউ ঘরে ছিলেন না।

নিহতের মা শাহনাজ বেগম জানান, সকালে তিনি ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে ভাড়া তুলতে বাইরে যান। যাওয়ার আগে মেয়েকে কিছু টাকা দিয়ে ছোট ভাই-বোনদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে দিতে বলেন। পরে ছোট বোনেরা বাড়িতে ফিরে নুরতাজকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন।

মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় শোকে ভেঙে পড়ে শাহনাজ বেগম বলেন, এই মেয়েই ছিল আমার সবকিছু। মেয়ে নেই মানে আমিও নেই। তাকে ছাড়া আমি কীভাবে বাঁচব।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিমান থেকে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

চট্টগ্রামে কিশোরীর আত্মহত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বসতঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নুরতাজ আক্তার (১৬) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত নুরতাজ আক্তার উপজেলার ৯ নম্বর পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৈখাইন গ্রামের গুঁড়া মিয়া সওদাগরের বাড়ির বাসিন্দা আজাদুল ইসলামের মেয়ে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙা মোবাইল ফোন মেরামত করে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা কেউ ঘরে ছিলেন না।

নিহতের মা শাহনাজ বেগম জানান, সকালে তিনি ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে ভাড়া তুলতে বাইরে যান। যাওয়ার আগে মেয়েকে কিছু টাকা দিয়ে ছোট ভাই-বোনদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে দিতে বলেন। পরে ছোট বোনেরা বাড়িতে ফিরে নুরতাজকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন।

মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় শোকে ভেঙে পড়ে শাহনাজ বেগম বলেন, এই মেয়েই ছিল আমার সবকিছু। মেয়ে নেই মানে আমিও নেই। তাকে ছাড়া আমি কীভাবে বাঁচব।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিমান থেকে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।