ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া নথি দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার পাচার, ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ভুয়া নথি ব্যবহার করে পণ্যভর্তি একটি কনটেইনার পাচারের ঘটনা ঘটেছে; তবে প্রায় ৭ ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে সেটি উদ্ধারও করা হয়েছে। গত ৩১ মার্চ মঙ্গলবার ঘটেছে এ ঘটনা।

বন্দরসূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে কনটেইনারটি বন্দর এলাকা থেকে বের করা হয়। তবে এদিন রাতেই নগরের হালিশহর এলাকা থেকে তা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রথমে ধামাচাপা দেয় বন্দর কতৃপক্ষ। যদিও পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেডের নামে আসা পণ্যের চালানটি কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খালাসের প্রক্রিয়ায় ছিল। তবে জেএস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের নামে ভুয়া অন-চেসিস অনুমতিপত্র, চালান ও গেট পাস তৈরি করে কনটেইনারটি বের করা হয়।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ব্যাকআপ ইয়ার্ড থেকে ট্রেইলারে লোড করে সিপিএআর গেট ব্যবহার করে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কনটেইনারটি বন্দর এলাকা ত্যাগ করে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ধরা না পড়লেও পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগ সতর্ক হয়।

এর পর গোয়েন্দা তৎপরতায় কনটেইনারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে হালিশহর বারনী ঘাটসংলগ্ন শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশে একটি গ্যারেজ থেকে কনটেইনারটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কনটেইনার পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রেইলারটি জব্দ করা হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্দর থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

ভুয়া নথি দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার পাচার, ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ভুয়া নথি ব্যবহার করে পণ্যভর্তি একটি কনটেইনার পাচারের ঘটনা ঘটেছে; তবে প্রায় ৭ ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে সেটি উদ্ধারও করা হয়েছে। গত ৩১ মার্চ মঙ্গলবার ঘটেছে এ ঘটনা।

বন্দরসূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে কনটেইনারটি বন্দর এলাকা থেকে বের করা হয়। তবে এদিন রাতেই নগরের হালিশহর এলাকা থেকে তা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রথমে ধামাচাপা দেয় বন্দর কতৃপক্ষ। যদিও পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেডের নামে আসা পণ্যের চালানটি কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খালাসের প্রক্রিয়ায় ছিল। তবে জেএস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের নামে ভুয়া অন-চেসিস অনুমতিপত্র, চালান ও গেট পাস তৈরি করে কনটেইনারটি বের করা হয়।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ব্যাকআপ ইয়ার্ড থেকে ট্রেইলারে লোড করে সিপিএআর গেট ব্যবহার করে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কনটেইনারটি বন্দর এলাকা ত্যাগ করে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ধরা না পড়লেও পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগ সতর্ক হয়।

এর পর গোয়েন্দা তৎপরতায় কনটেইনারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে হালিশহর বারনী ঘাটসংলগ্ন শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশে একটি গ্যারেজ থেকে কনটেইনারটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কনটেইনার পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রেইলারটি জব্দ করা হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্দর থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।