ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৃতীয় প্রান্তিকে এক্সিম ব্যাংকের লোকসান ৫৬৬ কোটি টাকা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

আমানত কমে যাওয়ায় গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (তৃতীয় প্রান্তিকে) এক্সিম ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৫৬৬ কোটি টাকা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য বলছে, এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে তিন টাকা ৯১ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৭ পয়সা।

এমন পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে আজ সোমবার এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারের দাম নয় দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে সাড়ে সাত টাকায় নেমে আসে।

আয় কমে যাওয়ার জন্য বিনিয়োগের শর্ত বাড়িয়ে দেওয়াকে দায়ী করছে ব্যাংকটি।

নগদ অর্থ কমে যাওয়ায় এক্সিম ব্যাংকের সমস্যা আরো জটিল হয়েছে। গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ১৬ টাকা ৬২ পয়সায় নেতিবাচক নিবন্ধন করেছে।

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এক্সিম ব্যাংক ২০০৪ সালে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং চালু করে। কর্পোরেট, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং কৃষি খাতে অর্থায়নে গুরুত্ব দেয় ব্যাংকটি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

তৃতীয় প্রান্তিকে এক্সিম ব্যাংকের লোকসান ৫৬৬ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

আমানত কমে যাওয়ায় গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (তৃতীয় প্রান্তিকে) এক্সিম ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৫৬৬ কোটি টাকা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য বলছে, এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে তিন টাকা ৯১ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৭ পয়সা।

এমন পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে আজ সোমবার এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারের দাম নয় দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে সাড়ে সাত টাকায় নেমে আসে।

আয় কমে যাওয়ার জন্য বিনিয়োগের শর্ত বাড়িয়ে দেওয়াকে দায়ী করছে ব্যাংকটি।

নগদ অর্থ কমে যাওয়ায় এক্সিম ব্যাংকের সমস্যা আরো জটিল হয়েছে। গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ১৬ টাকা ৬২ পয়সায় নেতিবাচক নিবন্ধন করেছে।

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এক্সিম ব্যাংক ২০০৪ সালে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং চালু করে। কর্পোরেট, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং কৃষি খাতে অর্থায়নে গুরুত্ব দেয় ব্যাংকটি।