ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিউবার জলসীমায় মার্কিন নিবন্ধিত স্পিডবোটে গুলি, নিহত ৪

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করা যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত একটি স্পিডবোটে গুলি ছুড়েছে কিউবার সীমান্তরক্ষীরা। এতে চারজন নিহত হয়েছেন। কিউবা সরকার জানিয়েছে, নৌযানটির আরোহীরা আগে গুলি চালালে সীমান্তরক্ষীরা পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। খবর আল জাজিরার।

কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বুধবার সকালে ফ্লোরিডায় নিবন্ধিত (নিবন্ধন নম্বর: FL7726SH) ওই স্পিডবোটটি কিউবার মধ্যাঞ্চলের ভিলা ক্লারা প্রদেশের কায়ো ফালকোনেস এলাকার কাছে শনাক্ত করা হয়। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাঁচ সদস্য নিয়ে একটি কিউবান নৌযান স্পিডবোটটির কাছে গেলে নৌযানটির ক্রু সদস্যরা গুলি চালায়। এতে কিউবান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একজন কমান্ডার আহত হন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ঘটনায় বিদেশি নৌযানটির চারজন আরোহী নিহত এবং ছয়জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

কিউবা সরকার জানিয়েছে, নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা তারা কী উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় ছিলেন-তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের জাতীয়তা এখনো স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, ‘তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা এখনো তথ্য সংগ্রহ করছি।’ তিনি নিশ্চিত করেন, নৌযানটিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো কর্মী ছিলেন না।

ক্যারিবীয় দেশ সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস সফরকালে সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, খোলা সমুদ্রে এ ধরনের গোলাগুলি অস্বাভাবিক। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত তদন্ত করে দেখবে ঠিক কী ঘটেছে এবং কারা এতে জড়িত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড ঘটনার আশপাশের এলাকায় গেছে।

রুবিও আরও বলেন, নৌযানটি বর্তমানে কার হেফাজতে আছে-তা জানার চেষ্টা চলছে। যদি এতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা থাকেন, তবে তাদের কাছে পৌঁছাতে চায় ওয়াশিংটন। তবে এ ঘটনায় কেবল কিউবান সরকারের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করা হবে না বলেও জানান তিনি।

ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। কিউবা বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকটে রয়েছে, যা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাধার কারণে আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

কিউবার জলসীমায় মার্কিন নিবন্ধিত স্পিডবোটে গুলি, নিহত ৪

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করা যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত একটি স্পিডবোটে গুলি ছুড়েছে কিউবার সীমান্তরক্ষীরা। এতে চারজন নিহত হয়েছেন। কিউবা সরকার জানিয়েছে, নৌযানটির আরোহীরা আগে গুলি চালালে সীমান্তরক্ষীরা পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। খবর আল জাজিরার।

কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বুধবার সকালে ফ্লোরিডায় নিবন্ধিত (নিবন্ধন নম্বর: FL7726SH) ওই স্পিডবোটটি কিউবার মধ্যাঞ্চলের ভিলা ক্লারা প্রদেশের কায়ো ফালকোনেস এলাকার কাছে শনাক্ত করা হয়। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাঁচ সদস্য নিয়ে একটি কিউবান নৌযান স্পিডবোটটির কাছে গেলে নৌযানটির ক্রু সদস্যরা গুলি চালায়। এতে কিউবান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একজন কমান্ডার আহত হন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ঘটনায় বিদেশি নৌযানটির চারজন আরোহী নিহত এবং ছয়জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

কিউবা সরকার জানিয়েছে, নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা তারা কী উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় ছিলেন-তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের জাতীয়তা এখনো স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, ‘তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা এখনো তথ্য সংগ্রহ করছি।’ তিনি নিশ্চিত করেন, নৌযানটিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো কর্মী ছিলেন না।

ক্যারিবীয় দেশ সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস সফরকালে সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, খোলা সমুদ্রে এ ধরনের গোলাগুলি অস্বাভাবিক। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত তদন্ত করে দেখবে ঠিক কী ঘটেছে এবং কারা এতে জড়িত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড ঘটনার আশপাশের এলাকায় গেছে।

রুবিও আরও বলেন, নৌযানটি বর্তমানে কার হেফাজতে আছে-তা জানার চেষ্টা চলছে। যদি এতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা থাকেন, তবে তাদের কাছে পৌঁছাতে চায় ওয়াশিংটন। তবে এ ঘটনায় কেবল কিউবান সরকারের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করা হবে না বলেও জানান তিনি।

ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। কিউবা বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকটে রয়েছে, যা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাধার কারণে আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।