ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাইজেরিয়ায় খনিতে বিষাক্ত গ্যাসে ৩৭ শ্রমিকের মৃত্যু

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

নাইজেরিয়ার খনিতে কার্বন মনোক্সাইডের বিষে অন্তত ৩৭ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বুধবার দেশটির প্ল্যাটাউ রাজ্যের কামপানি সম্প্রদায়ের একটি খনিতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও ২৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলটি একটি নিষ্ক্রিয় সীসার খনি, যেখানে জমে থাকা খনিজ পদার্থ থেকে প্রাণঘাতী ধোঁয়া নির্গত হয়েছিল।

প্ল্যাটাউ রাজ্য সরকার জানিয়েছে, অনেক শ্রমিককে মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী স্থানটি ঘিরে রেখেছে।

নাইজেরিয়ার খনিজসম্পদমন্ত্রী ডেলে আলাকে জানান, স্থানীয় গ্রামবাসীরা খনিজ আহরণের জন্য সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রবেশ করলে শ্বাসের মাধ্যমে গ্যাস নিলে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা আগে এ ধোঁয়ার বিষাক্ত প্রকৃতি সম্পর্কে জানতেন না।

নাইজেরিয়ায় অবৈধ খনি সমস্যা দীর্ঘদিনের, যেখানে সরকারি তদারকি ও নিরাপত্তা বিধি নেই বললেই চলে। এ ঘটনার পর ফেডারেল সরকার খনি এলাকায় সব কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করেছে এবং ব্যাপক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

প্ল্যাটাউ রাজ্য ঐতিহ্যবাহী খনি অঞ্চল, যেখানে রাজধানী জোসকে ‘টিন সিটি’ বলা হয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খনি কার্যক্রম কমে এসেছে।

নাইজেরিয়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা নতুন নয়। গত বছর জামফারা রাজ্যের একটি অবৈধ খনি ধ্বসে অন্তত ১৮ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। আফ্রিকার খনিজ সম্পদ আহরণ প্রায়শই দুর্ঘটনার ছায়ায় থাকে। সম্প্রতি কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের রুবায়া কলটান খনিতে ধ্বসের ফলে প্রায় ২০০ জন নিহত হন। রুবায়া খনি নর্থ কিভু প্রদেশের গোমা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এবং বিশ্বের মোট কলটানের প্রায় ১৫ শতাংশ উৎপাদন করে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

নাইজেরিয়ায় খনিতে বিষাক্ত গ্যাসে ৩৭ শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১২:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাইজেরিয়ার খনিতে কার্বন মনোক্সাইডের বিষে অন্তত ৩৭ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বুধবার দেশটির প্ল্যাটাউ রাজ্যের কামপানি সম্প্রদায়ের একটি খনিতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও ২৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলটি একটি নিষ্ক্রিয় সীসার খনি, যেখানে জমে থাকা খনিজ পদার্থ থেকে প্রাণঘাতী ধোঁয়া নির্গত হয়েছিল।

প্ল্যাটাউ রাজ্য সরকার জানিয়েছে, অনেক শ্রমিককে মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী স্থানটি ঘিরে রেখেছে।

নাইজেরিয়ার খনিজসম্পদমন্ত্রী ডেলে আলাকে জানান, স্থানীয় গ্রামবাসীরা খনিজ আহরণের জন্য সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রবেশ করলে শ্বাসের মাধ্যমে গ্যাস নিলে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা আগে এ ধোঁয়ার বিষাক্ত প্রকৃতি সম্পর্কে জানতেন না।

নাইজেরিয়ায় অবৈধ খনি সমস্যা দীর্ঘদিনের, যেখানে সরকারি তদারকি ও নিরাপত্তা বিধি নেই বললেই চলে। এ ঘটনার পর ফেডারেল সরকার খনি এলাকায় সব কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করেছে এবং ব্যাপক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

প্ল্যাটাউ রাজ্য ঐতিহ্যবাহী খনি অঞ্চল, যেখানে রাজধানী জোসকে ‘টিন সিটি’ বলা হয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খনি কার্যক্রম কমে এসেছে।

নাইজেরিয়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা নতুন নয়। গত বছর জামফারা রাজ্যের একটি অবৈধ খনি ধ্বসে অন্তত ১৮ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। আফ্রিকার খনিজ সম্পদ আহরণ প্রায়শই দুর্ঘটনার ছায়ায় থাকে। সম্প্রতি কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের রুবায়া কলটান খনিতে ধ্বসের ফলে প্রায় ২০০ জন নিহত হন। রুবায়া খনি নর্থ কিভু প্রদেশের গোমা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এবং বিশ্বের মোট কলটানের প্রায় ১৫ শতাংশ উৎপাদন করে।