ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-৭ আসনে কারচুপির অভিযোগ তুললেন জামায়াত প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৭ আসনের নির্বাচনে ভোটে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মগবাজারের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে ভোট পুনঃগণনার দাবিও জানান।

হাজী এনায়েত বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্যাপক কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়নি। অনেক কেন্দ্রের রেজাল্ট সিটে আমাদের এজেন্টদের স্বাক্ষরও নেই।’

তিনি জানান, অনিয়মের বিষয়টি আদালতে তুলে মামলা করবেন।

প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তারা সঠিকভাবে সহযোগিতা করতে পারেননি বা ভয়ে আসতে সাহস পাননি। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেননি।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে এবং চলাকালীন সময়ে প্রায় ৪০–৫০ জন এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার সময় রেজাল্ট সিটের কপি সরবরাহ করা হয়নি এবং গণনা প্রক্রিয়ায় দেরি করা হয়েছে।

হাজী এনায়েত আরও বলেন, ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ার করা হয়েছে। প্রথম দিকে রেজাল্ট আসছিল ঠিকঠাক, হঠাৎ করে এক–দুই ঘণ্টা রেজাল্ট বন্ধ হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত পুনরায় আমাদেরকে জানানো হয়নি। পরে দেখা গেল, আমাদের তৈরি রেজাল্টকে অগ্রাহ্য করে বিপক্ষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ঢাকা-৭ আসনে কারচুপির অভিযোগ তুললেন জামায়াত প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ

আপডেট সময় : ০১:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-৭ আসনের নির্বাচনে ভোটে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মগবাজারের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে ভোট পুনঃগণনার দাবিও জানান।

হাজী এনায়েত বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্যাপক কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়নি। অনেক কেন্দ্রের রেজাল্ট সিটে আমাদের এজেন্টদের স্বাক্ষরও নেই।’

তিনি জানান, অনিয়মের বিষয়টি আদালতে তুলে মামলা করবেন।

প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তারা সঠিকভাবে সহযোগিতা করতে পারেননি বা ভয়ে আসতে সাহস পাননি। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেননি।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে এবং চলাকালীন সময়ে প্রায় ৪০–৫০ জন এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার সময় রেজাল্ট সিটের কপি সরবরাহ করা হয়নি এবং গণনা প্রক্রিয়ায় দেরি করা হয়েছে।

হাজী এনায়েত আরও বলেন, ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ার করা হয়েছে। প্রথম দিকে রেজাল্ট আসছিল ঠিকঠাক, হঠাৎ করে এক–দুই ঘণ্টা রেজাল্ট বন্ধ হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত পুনরায় আমাদেরকে জানানো হয়নি। পরে দেখা গেল, আমাদের তৈরি রেজাল্টকে অগ্রাহ্য করে বিপক্ষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।’