ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেসক্লাবের ওয়াশরুমে পড়ে ছিল বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্যের মরদেহ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ওয়াশরুম থেকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও দৈনিক দিনকালের সিনিয়র সাংবাদিক আলী মামুদের (৬৯) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। আলী মামুদ দৈনিক দিনকালের সিটি এডিটরের দায়িত্বে ছিলেন। 

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামান বলেন, একজন সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওয়াশরুমে পড়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

আলী মাহমুদের সহকর্মী আনোয়ার বুলু জানান, তিনি পরশুদিন অফিস করেছেন। তাকে একটি রিপোর্ট দিয়ে বলেছিলেন এটি যেন দেখে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়। সেদিনের পর থেকে তিনি ছুটিতে ছিলেন। তিনি তার মৃত্যুর খবর শুনে জাতীয় প্রেসক্লাবের দিকে যাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, আলী মামুদের কয়েক বছর আগে ওপেন হার্ট সার্জারি অপারেশন হয়েছিল। এরপর থেকে ভালোই ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ির রাজশাহী জেলায়। তিনি ঢাকার মগবাজারে স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

প্রেসক্লাবের ওয়াশরুমে পড়ে ছিল বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্যের মরদেহ

আপডেট সময় : ১২:১৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ওয়াশরুম থেকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও দৈনিক দিনকালের সিনিয়র সাংবাদিক আলী মামুদের (৬৯) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। আলী মামুদ দৈনিক দিনকালের সিটি এডিটরের দায়িত্বে ছিলেন। 

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামান বলেন, একজন সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওয়াশরুমে পড়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

আলী মাহমুদের সহকর্মী আনোয়ার বুলু জানান, তিনি পরশুদিন অফিস করেছেন। তাকে একটি রিপোর্ট দিয়ে বলেছিলেন এটি যেন দেখে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়। সেদিনের পর থেকে তিনি ছুটিতে ছিলেন। তিনি তার মৃত্যুর খবর শুনে জাতীয় প্রেসক্লাবের দিকে যাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, আলী মামুদের কয়েক বছর আগে ওপেন হার্ট সার্জারি অপারেশন হয়েছিল। এরপর থেকে ভালোই ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ির রাজশাহী জেলায়। তিনি ঢাকার মগবাজারে স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন।