ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকস্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতার ওপর হামলা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরে সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের এক কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বাকস্বাধীনতা ও সকলের বক্তব্য দেওয়ার অধিকারের পক্ষে কথা বলায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে সংগঠনটির দাবি।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরে সংযুক্ত) তানভীর আহমেদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শরীয়তপুরে সুজন আয়োজিত সব এমপি প্রার্থীর অংশগ্রহণে এক সভায় এ ঘটনা ঘটে। সভায় বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী নূর মোহাম্মদ মিঞা ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে কথা বলতে বাধা দেন। এ সময় গালাগালি ও শারীরিকভাবে হেনস্তার চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাহমুদ পারভেজ সভায় বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সবার কথা বলার অধিকারের পক্ষে বক্তব্য দেন। এর পরপরই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে দাবি সংগঠনটির। চেয়ার দিয়ে আঘাত, গালাগালি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।

সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম এ বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ জানাননি। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলেও তাদের দাবি।

হামলায় জড়িত হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক দল সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন মোল্লা, সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মী আরাফাত, সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা খলিল খান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোফাজ্জল ফকির এবং যুবদল নেতা ফজলু বেপারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির আরও নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হক এক যৌথ বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, এ ধরনের হামলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির পরিপন্থী এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা ও মাহমুদ পারভেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

বাকস্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতার ওপর হামলা

আপডেট সময় : ১১:৪২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

শরীয়তপুরে সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের এক কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বাকস্বাধীনতা ও সকলের বক্তব্য দেওয়ার অধিকারের পক্ষে কথা বলায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে সংগঠনটির দাবি।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরে সংযুক্ত) তানভীর আহমেদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শরীয়তপুরে সুজন আয়োজিত সব এমপি প্রার্থীর অংশগ্রহণে এক সভায় এ ঘটনা ঘটে। সভায় বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী নূর মোহাম্মদ মিঞা ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে কথা বলতে বাধা দেন। এ সময় গালাগালি ও শারীরিকভাবে হেনস্তার চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাহমুদ পারভেজ সভায় বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সবার কথা বলার অধিকারের পক্ষে বক্তব্য দেন। এর পরপরই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে দাবি সংগঠনটির। চেয়ার দিয়ে আঘাত, গালাগালি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।

সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম এ বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ জানাননি। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলেও তাদের দাবি।

হামলায় জড়িত হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক দল সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন মোল্লা, সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মী আরাফাত, সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা খলিল খান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোফাজ্জল ফকির এবং যুবদল নেতা ফজলু বেপারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির আরও নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হক এক যৌথ বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, এ ধরনের হামলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির পরিপন্থী এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা ও মাহমুদ পারভেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।