ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

লক্ষ্মীপুরে অন্যদের কেনা জমি রেকর্ড করে নিলেন আরেকপক্ষ

  • মোঃ নিজাম উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ৪৯৪ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি মো: নিজাম উদ্দিন

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ধন্যপুর মৌজার ২ একর ৬৫ শতাংশ জমি একটি পক্ষ জালজালিয়াতি করে তাদের নামে রেকর্ড করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিতর্কিত ওই জমি পূর্ণাঙ্গ দখল নিতে পরেনি কোন পক্ষ। দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে জমিগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
জানা গেছে, ধন্যপুর মৌজার ৩০৮, ৩০৯, ৩১০, ৩৩১, ৩৩৬, ৩৩৭, ৩৩৮, ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪৩, ৩৪৪, ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭, ৩৪৯, ৪৯১, ৪৯৪ ও ৪৯৫ দাগে মোট ২ একর ৬৫ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে মালিক ওই এলাকার সেকান্তর মেস্তুরী, মোস্তফা মিয়া, হোসেন আহম্মেদ ও মনোহার কাজী। ১৯৭৩ সালে স্থানীয় যতেন্দ্র সুর নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমিগুলো ক্রয় করেন তারা।
তাদের মৃত্যুর পর তাদের ওয়ারিশরা ওই জমির মালিকানা লাভ করেন।
কিন্তু জমির ওয়ারিশদের অভিযোগ, জালজালিয়াতি করে ওই জমি রেকর্ড করে নেন ওই এলাকার শামছুদ্দিন রতন, সিরাজ মিয়া, ফেরদৌস আলম রিপন ও আবদুল গোপরান। রেকর্ড করে জমিগুলো তাদের দাবি করেন। এ নিয়ে মামলাও চলমান রয়েছে। ফলে প্ররিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে জমিগুলো। এছাড়া ২০১৮ সালের রেকর্ড বাতিল মামলা করে ওই চার ব্যক্তির ওয়ারিশরা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, একই মৌজার ৫০৩ দাগে সেকান্তর মেস্তুরী তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও ছেলে রুস্তমের নামে ২৮ শতাংশ জমি কেনেন৷ কিন্তু ওই জমি আবদুল গোরফানের দখলে রেখেছেন৷ এছাড়া ওই মৌজায় স্বাধীনতার পূর্বে হিন্দুদের রেখে যাওয়া প্রায় ৭ একর সরকারি সম্পত্তিও গোফরান ও রতনগং তাদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গোফরান ও রতনগংদের সাথে কথা সম্ভব হয়নি।
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে অন্যদের কেনা জমি রেকর্ড করে নিলেন আরেকপক্ষ

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ধন্যপুর মৌজার ২ একর ৬৫ শতাংশ জমি একটি পক্ষ জালজালিয়াতি করে তাদের নামে রেকর্ড করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিতর্কিত ওই জমি পূর্ণাঙ্গ দখল নিতে পরেনি কোন পক্ষ। দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে জমিগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
জানা গেছে, ধন্যপুর মৌজার ৩০৮, ৩০৯, ৩১০, ৩৩১, ৩৩৬, ৩৩৭, ৩৩৮, ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪১, ৩৪৩, ৩৪৪, ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭, ৩৪৯, ৪৯১, ৪৯৪ ও ৪৯৫ দাগে মোট ২ একর ৬৫ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে মালিক ওই এলাকার সেকান্তর মেস্তুরী, মোস্তফা মিয়া, হোসেন আহম্মেদ ও মনোহার কাজী। ১৯৭৩ সালে স্থানীয় যতেন্দ্র সুর নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমিগুলো ক্রয় করেন তারা।
তাদের মৃত্যুর পর তাদের ওয়ারিশরা ওই জমির মালিকানা লাভ করেন।
কিন্তু জমির ওয়ারিশদের অভিযোগ, জালজালিয়াতি করে ওই জমি রেকর্ড করে নেন ওই এলাকার শামছুদ্দিন রতন, সিরাজ মিয়া, ফেরদৌস আলম রিপন ও আবদুল গোপরান। রেকর্ড করে জমিগুলো তাদের দাবি করেন। এ নিয়ে মামলাও চলমান রয়েছে। ফলে প্ররিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে জমিগুলো। এছাড়া ২০১৮ সালের রেকর্ড বাতিল মামলা করে ওই চার ব্যক্তির ওয়ারিশরা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, একই মৌজার ৫০৩ দাগে সেকান্তর মেস্তুরী তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও ছেলে রুস্তমের নামে ২৮ শতাংশ জমি কেনেন৷ কিন্তু ওই জমি আবদুল গোরফানের দখলে রেখেছেন৷ এছাড়া ওই মৌজায় স্বাধীনতার পূর্বে হিন্দুদের রেখে যাওয়া প্রায় ৭ একর সরকারি সম্পত্তিও গোফরান ও রতনগং তাদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গোফরান ও রতনগংদের সাথে কথা সম্ভব হয়নি।