ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রকে ফেরাতে নির্বাচনের বিকল্প নেই: আমান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, গণতন্ত্র ফেরাতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে অনেক বাধা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে তবে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না নির্বাচন হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে আমান বলেন, স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে দেননি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা।
 
যে লক্ষ্যে ডা. মিলন, জিহাদ ও নূর হোসেন রক্ত দিয়েছিলেন গত ১৫ বছরে সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি বলেও জানান আমান।
 
এসময়, ডা. মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, বাংলাদেশে আর কখনও স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টের জন্ম হবে না। পরবর্তীতে এমন কিছু হলে তা প্রতিহত করবে ছাত্রদল।
 
এ সময় ডা. মিলনের মা সেলিনা আক্তার বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্য ছিল ডা. মিলনের।
 
আজ শহীদ ডা. মিলন দিবস। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।
 
১৯৯০ সালের অগ্নিক্ষরা উত্তাল ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ডা. মিলন স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। ওই দিন বর্তমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সভায় যোগ দিতে রিকশায় যাওয়ার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এলাকায় সন্ত্রাসীরা তার ওপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ আত্মদানের মধ্যদিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন নতুন গতি পায়। ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসনের পতন ঘটে।
 
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী দল, সংগঠনসহ শহীদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে আছে কালো ব্যাজ ধারণ, শোক র‌্যালি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ ডা. মিলনের কবর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি মোড়ে শহীদ ডা. মিলন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, পবিত্র ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, আলোচনা সভা প্রভৃতি।
 
বাম গণতান্ত্রিক জোট, সিপিবি, বাসদ, বাংলাদেশ জাসদ, জাসদসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন এদিন ডা. মিলনের কবর ও স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবে। জাসদ গুলিস্তানে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ‘ডা. মিলনের আত্মবলিদান: ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা করবে।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

গণতন্ত্রকে ফেরাতে নির্বাচনের বিকল্প নেই: আমান

আপডেট সময় : ১২:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, গণতন্ত্র ফেরাতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে অনেক বাধা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে তবে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না নির্বাচন হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে আমান বলেন, স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে দেননি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা।
 
যে লক্ষ্যে ডা. মিলন, জিহাদ ও নূর হোসেন রক্ত দিয়েছিলেন গত ১৫ বছরে সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি বলেও জানান আমান।
 
এসময়, ডা. মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, বাংলাদেশে আর কখনও স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টের জন্ম হবে না। পরবর্তীতে এমন কিছু হলে তা প্রতিহত করবে ছাত্রদল।
 
এ সময় ডা. মিলনের মা সেলিনা আক্তার বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্য ছিল ডা. মিলনের।
 
আজ শহীদ ডা. মিলন দিবস। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।
 
১৯৯০ সালের অগ্নিক্ষরা উত্তাল ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ডা. মিলন স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। ওই দিন বর্তমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সভায় যোগ দিতে রিকশায় যাওয়ার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এলাকায় সন্ত্রাসীরা তার ওপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ আত্মদানের মধ্যদিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন নতুন গতি পায়। ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসনের পতন ঘটে।
 
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী দল, সংগঠনসহ শহীদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে আছে কালো ব্যাজ ধারণ, শোক র‌্যালি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ ডা. মিলনের কবর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি মোড়ে শহীদ ডা. মিলন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, পবিত্র ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, আলোচনা সভা প্রভৃতি।
 
বাম গণতান্ত্রিক জোট, সিপিবি, বাসদ, বাংলাদেশ জাসদ, জাসদসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন এদিন ডা. মিলনের কবর ও স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবে। জাসদ গুলিস্তানে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ‘ডা. মিলনের আত্মবলিদান: ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা করবে।