ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল নারীর রক্তাক্ত মরদেহ, গুরুতর আহত স্বামী

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে একটি ফ্ল্যাট থেকে রহিমা খাতুন নামে এক নারী পোশাক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তার স্বামী এমরান হোসেনকে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ভোরে কোনাবাড়ি থানাধীন বাইমাইল এলাকার নওয়াব আলী মার্কেট সংলগ্ন একতা টাওয়ারের ৫ম তলা থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত রহিমা খাতুন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতৈল গ্রামের কসাই এমরান হোসেনের স্ত্রী। তিনি একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, কসাই এমরান তার স্ত্রী রহিমা ও মেয়ে শারমিনকে নিয়ে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়ায় থাকতেন। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এমরান ও রহিমাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রহিমা খাতুন মারা যায়।

শনিবার ভোরে পুলিশ গিয়ে গুরুতর আহত এমরানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

কোনাবাড়ি থানার ওসি সালাহউদ্দিন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধারের কিছুক্ষণ পর স্বামী এমরান হোসেনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত রহিমার মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল নারীর রক্তাক্ত মরদেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আপডেট সময় : ১১:৪৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে একটি ফ্ল্যাট থেকে রহিমা খাতুন নামে এক নারী পোশাক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তার স্বামী এমরান হোসেনকে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ভোরে কোনাবাড়ি থানাধীন বাইমাইল এলাকার নওয়াব আলী মার্কেট সংলগ্ন একতা টাওয়ারের ৫ম তলা থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত রহিমা খাতুন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতৈল গ্রামের কসাই এমরান হোসেনের স্ত্রী। তিনি একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, কসাই এমরান তার স্ত্রী রহিমা ও মেয়ে শারমিনকে নিয়ে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়ায় থাকতেন। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এমরান ও রহিমাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রহিমা খাতুন মারা যায়।

শনিবার ভোরে পুলিশ গিয়ে গুরুতর আহত এমরানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

কোনাবাড়ি থানার ওসি সালাহউদ্দিন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধারের কিছুক্ষণ পর স্বামী এমরান হোসেনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত রহিমার মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।