ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা দরপতন, ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

টানা দরপতনের ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে কমে গেছে। সেই সঙ্গে মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। তবে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।

গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়ার শেয়ার ও ইউনিটগুলোর মধ্যে যে কয়টির দর বেড়েছে, তার চেয়ে সাড়ে ৮ গুণ বেশি সংখ্যকের দরপতন হয়েছে। এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূলসূচকে বড় পতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার এবং করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪০টি কোম্পানির, কমেছে ৩৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি কোম্পানির শেয়ারদর।

অধিকাংশ সিকিউরিটিজে দরপতন হওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবার শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা।

সূচকে পতন হওয়ার পরও ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে যা হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ১৩৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বা ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। গত সপ্তাহে এক্সচেঞ্জটিতে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন ৪৮৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতি কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

অন্যদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৫৯ পয়েন্টে এবং ৮ হাজার ৬১৬ পয়েন্টে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

টানা দরপতন, ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০১:১৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

টানা দরপতনের ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে কমে গেছে। সেই সঙ্গে মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। তবে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।

গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়ার শেয়ার ও ইউনিটগুলোর মধ্যে যে কয়টির দর বেড়েছে, তার চেয়ে সাড়ে ৮ গুণ বেশি সংখ্যকের দরপতন হয়েছে। এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূলসূচকে বড় পতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার এবং করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪০টি কোম্পানির, কমেছে ৩৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি কোম্পানির শেয়ারদর।

অধিকাংশ সিকিউরিটিজে দরপতন হওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবার শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা।

সূচকে পতন হওয়ার পরও ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে যা হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ১৩৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বা ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। গত সপ্তাহে এক্সচেঞ্জটিতে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন ৪৮৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতি কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

অন্যদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৫৯ পয়েন্টে এবং ৮ হাজার ৬১৬ পয়েন্টে।