ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্বল ৫ ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ব্যাংকগুলো হলো, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।

বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

গভর্নর বলেন, প্রশাসক দিয়ে এই পাঁচটি ব্যাংক পরিচালিত হবে। ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে যে জনবল রয়েছে তাই থাকবে। কাউকে বাদ দেয়া হবে না। আগের মতোই বেতন পাবেন তারা। ব্যাংকগুলোকে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হলেও বেসরকারি ব্যাংকের মতই চলবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে, এই পাঁচটি ব্যাংক মার্জার বা একীভূত করতে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাব এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, বিগত সরকারের আমলে এ ব্যাংকগুলোর মধ্যে চারটির মালিকানায় ছিল এস আলম। আর একটির মালিকানায় ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা নজরুল ইসলাম মজুমদার। সেসময় ব্যাংকগুলোর হাজার হাজার টাকা নামে-বেনামে সরিয়ে নেয়ায় আর্থিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

দুর্বল ৫ ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ব্যাংকগুলো হলো, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।

বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

গভর্নর বলেন, প্রশাসক দিয়ে এই পাঁচটি ব্যাংক পরিচালিত হবে। ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে যে জনবল রয়েছে তাই থাকবে। কাউকে বাদ দেয়া হবে না। আগের মতোই বেতন পাবেন তারা। ব্যাংকগুলোকে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হলেও বেসরকারি ব্যাংকের মতই চলবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে, এই পাঁচটি ব্যাংক মার্জার বা একীভূত করতে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাব এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, বিগত সরকারের আমলে এ ব্যাংকগুলোর মধ্যে চারটির মালিকানায় ছিল এস আলম। আর একটির মালিকানায় ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা নজরুল ইসলাম মজুমদার। সেসময় ব্যাংকগুলোর হাজার হাজার টাকা নামে-বেনামে সরিয়ে নেয়ায় আর্থিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে।