ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রিজে রাখা খুলি ২ মাস পর প্রতিস্থাপন হলো চবি শিক্ষার্থী মামুনের মাথায়।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সংঘর্ষে গুরুতর আহত সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার মাথার খুলি সফলভাবে প্রতিস্থাপন হয়েছে।

শনিবার (১ নভেম্বর) নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মাথার খুলির অংশটি প্রতিস্থাপন করা হয়। মামুন মিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় ভালো।

গত ৩০ আগস্ট দিবাগত রাত সোয়া ১২টা থেকে পরদিন ৩১ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কয়েক দফা সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, তখনকার প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ অন্তত ২০০ শিক্ষার্থী আহত হন। এ ছাড়া ১০ থেকে ১২ জন স্থানীয় বাসিন্দাও আহত হয়েছিলেন।

প্রথমে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় তাদের। খুলে রাখা হয় মামুনের মাথার খুলির অংশ। শনিবার মামুনের মাথার খুলির সেই অংশ প্রতিস্থাপন করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেন।

অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেন বলেন, অপারেশনের পর কিছু জটিলতা থাকে। তাই আমরা বিষয়টি সেভাবে জানাইনি। তবে অপারেশন সফল হয়েছে। দু-এক দিনের ভেতর তাদের ডিসচার্জ করা হবে। তখন আমরা তাদের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করব।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ফ্রিজে রাখা খুলি ২ মাস পর প্রতিস্থাপন হলো চবি শিক্ষার্থী মামুনের মাথায়।

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সংঘর্ষে গুরুতর আহত সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার মাথার খুলি সফলভাবে প্রতিস্থাপন হয়েছে।

শনিবার (১ নভেম্বর) নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মাথার খুলির অংশটি প্রতিস্থাপন করা হয়। মামুন মিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় ভালো।

গত ৩০ আগস্ট দিবাগত রাত সোয়া ১২টা থেকে পরদিন ৩১ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কয়েক দফা সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, তখনকার প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ অন্তত ২০০ শিক্ষার্থী আহত হন। এ ছাড়া ১০ থেকে ১২ জন স্থানীয় বাসিন্দাও আহত হয়েছিলেন।

প্রথমে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় তাদের। খুলে রাখা হয় মামুনের মাথার খুলির অংশ। শনিবার মামুনের মাথার খুলির সেই অংশ প্রতিস্থাপন করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেন।

অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেন বলেন, অপারেশনের পর কিছু জটিলতা থাকে। তাই আমরা বিষয়টি সেভাবে জানাইনি। তবে অপারেশন সফল হয়েছে। দু-এক দিনের ভেতর তাদের ডিসচার্জ করা হবে। তখন আমরা তাদের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করব।