ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলের সাবেক এমপি কবিরুল কারাগারে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তিকে কারাগারে নেয়া হচ্ছে।

নড়াইল-১ আসনের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তিকে চার রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নড়াইল আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রত্না সাহা ও  সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফ হাসান পৃথক আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নড়াইল কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সরেস চন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোর্ট পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতন এলাকা থেকে নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কবিরুল হককে আটক করে গুলশান থানা পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।


২০২৪ সালের আগস্ট পরবর্তী সময়ে নড়াইলের কালিয়া থানায় দুটি ও নড়াগাতী থানায় দুটি করে পৃথক চারটি রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয় সাবেক এমপি মুক্তির বিরুদ্ধে। পৃথক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ উল্লেখিত মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখাতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাকে সশরীরে হাজির করার নির্দেশ দেন।


নড়াইলের আদালতের পৃথক নির্দেশে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার হতে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নড়াইল জেলা কারাগারে নেয়া হয় সাবেক এ সংসদ সদস্যকে। বুধবার সকালে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় নড়াইলের ৪টি পৃথক রাজনৈতিক মামলায় কবিরুল হককে আদালতে হাজির করা হয়।

ছাত্র-জনতার ওপর হামলাসহ পৃথক রাজনৈতিক মামলায় দুই আমলি আদালতের পৃথক আদেশে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়, পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কবিরুল হক মুক্তি ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম, ২০১৮ সালের একাদশ ও ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারত পালিয়ে গেলে পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিলে কবিরুল হক মুক্তি সংসদ সদস্য পদ হারান। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরকসহ বেশ কয়েকটি আইনে মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

নড়াইলের সাবেক এমপি কবিরুল কারাগারে

আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তিকে কারাগারে নেয়া হচ্ছে।

নড়াইল-১ আসনের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তিকে চার রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নড়াইল আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রত্না সাহা ও  সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফ হাসান পৃথক আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নড়াইল কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সরেস চন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোর্ট পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতন এলাকা থেকে নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কবিরুল হককে আটক করে গুলশান থানা পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।


২০২৪ সালের আগস্ট পরবর্তী সময়ে নড়াইলের কালিয়া থানায় দুটি ও নড়াগাতী থানায় দুটি করে পৃথক চারটি রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয় সাবেক এমপি মুক্তির বিরুদ্ধে। পৃথক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ উল্লেখিত মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখাতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাকে সশরীরে হাজির করার নির্দেশ দেন।


নড়াইলের আদালতের পৃথক নির্দেশে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার হতে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নড়াইল জেলা কারাগারে নেয়া হয় সাবেক এ সংসদ সদস্যকে। বুধবার সকালে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় নড়াইলের ৪টি পৃথক রাজনৈতিক মামলায় কবিরুল হককে আদালতে হাজির করা হয়।

ছাত্র-জনতার ওপর হামলাসহ পৃথক রাজনৈতিক মামলায় দুই আমলি আদালতের পৃথক আদেশে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়, পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কবিরুল হক মুক্তি ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম, ২০১৮ সালের একাদশ ও ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারত পালিয়ে গেলে পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিলে কবিরুল হক মুক্তি সংসদ সদস্য পদ হারান। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরকসহ বেশ কয়েকটি আইনে মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।