ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আছিয়া হত্যা মামলা

হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখ। ফাইল ছবি

মাগুরায় আলোচিত ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ৩১ আগস্ট বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন এবং আসামির ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) গ্রহণ করে, তার আপিল খারিজ ও জেল আপিল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়।

এদিকে আসামির ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী শিশুটির মা। তিনি এবং পরিবারের সদস্যসহ এলাকাবাসী রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও বিবিধ বিষয় হাইকোর্টে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করতে ১০ জুন হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। ওই বেঞ্চ ১৪ জুন থেকে কার্যক্রম শুরু করে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলার শুনানি শুরু হয় ১১ আগস্ট। রাষ্ট্রপক্ষ পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে ১১ আগস্ট এ মামলার শুনানি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৩ ও ২৪ আগস্ট শুনানি হয়। তিন কার্যদিবস শুনানি পর ২৫ আগস্ট আদালত রায়ের জন্য সোমবার (৩১ আগস্ট) দিন ধার্য করেন, এরপর ওইদিনের রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।

 

উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চের শুরুর দিকে আছিয়া তার বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। এরপর ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় মাগুরার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর ৭ দিন পর ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। ৮ মার্চ শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাগুরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন গত বছরের ১৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে গত বছরের ১৭ এপ্রিল মামলাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয় এবং গত বছরের ২০ এপ্রিল অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়। গত বছরের ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরের ৬ মার্চ ঘটনার দিন থেকে গণনা করলে ৭৩ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত।

মৃত্যুদণ্ড

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাউস অব লর্ডসের সদস্য হলেন লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খান

আছিয়া হত্যা মামলা

হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরায় আলোচিত ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ৩১ আগস্ট বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন এবং আসামির ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) গ্রহণ করে, তার আপিল খারিজ ও জেল আপিল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়।

এদিকে আসামির ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী শিশুটির মা। তিনি এবং পরিবারের সদস্যসহ এলাকাবাসী রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও বিবিধ বিষয় হাইকোর্টে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করতে ১০ জুন হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। ওই বেঞ্চ ১৪ জুন থেকে কার্যক্রম শুরু করে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলার শুনানি শুরু হয় ১১ আগস্ট। রাষ্ট্রপক্ষ পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে ১১ আগস্ট এ মামলার শুনানি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৩ ও ২৪ আগস্ট শুনানি হয়। তিন কার্যদিবস শুনানি পর ২৫ আগস্ট আদালত রায়ের জন্য সোমবার (৩১ আগস্ট) দিন ধার্য করেন, এরপর ওইদিনের রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।

 

উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চের শুরুর দিকে আছিয়া তার বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। এরপর ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় মাগুরার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর ৭ দিন পর ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। ৮ মার্চ শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাগুরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন গত বছরের ১৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে গত বছরের ১৭ এপ্রিল মামলাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয় এবং গত বছরের ২০ এপ্রিল অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়। গত বছরের ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরের ৬ মার্চ ঘটনার দিন থেকে গণনা করলে ৭৩ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত।

মৃত্যুদণ্ড