ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলায় যুবদল কর্মী নিহত ।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

মরদেহ দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয়রা।


বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় প্রথম স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কার সর্দারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

পুলিশ জানায়, দুই বিয়ের কারণে মিন্টুর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। সোমবার গভীর রাতে ১ম স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত বাড়িতে ঢুকে মিন্টুর ওপর হামলা চালায়।

এ সময় তারা তাকে বেধড়ক মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কচুয়ার রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, আমরা এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছি। দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান শুরু হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলায় যুবদল কর্মী নিহত ।

আপডেট সময় : ০৪:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

মরদেহ দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয়রা।


বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় প্রথম স্ত্রীর নেতৃত্বে হামলায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কার সর্দারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

পুলিশ জানায়, দুই বিয়ের কারণে মিন্টুর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। সোমবার গভীর রাতে ১ম স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত বাড়িতে ঢুকে মিন্টুর ওপর হামলা চালায়।

এ সময় তারা তাকে বেধড়ক মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কচুয়ার রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, আমরা এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছি। দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান শুরু হয়েছে।