পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী ও মুসলিমদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান আহবান জানিয়েছেন ইমাম সমাজ বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি মিনহাজ উদ্দিন।
আমরা বাংলাদেশের সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি এলাকায় বাঙালী মুসলিমদের ওপর নির্যাতন, দোকানপাট ধ্বংস ও জ্বালিয়ে দেওয়া এবং সেনাবাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। এই নৃশংস ঘটনায় আক্রান্ত সেনাসদস্যদের আরোগ্য কামনা করি এবং তাদের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করি।
আমরা বিশ্বাস করি—বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষায় সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার ত্যাগ ও দায়িত্বশীলতা অনস্বীকার্য। পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি।
পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছাড়াও বিভিন্ন বিভিন্নভাবে অপহরণ, চাঁদাবাজি, গুম—খুন ও মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। ফলে স্থানীয় বাঙালি ও নৃতাত্ত্বিক নাগরিক সবাই অতিষ্ট। গুইমারায় সেনাবাহিনীর ওপর বিচ্ছিন্নতাবাদী সস্বস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ’র সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি জানাচ্ছি।
সম্প্র্তি লক্ষ করা যাচ্ছে যে, বিচার দাবির আড়ালে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি বাঙালিদের স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্তব্যরত সেনা সদস্যদের ওপর একের পর এক আক্রমণ হয়েছে।
অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় এনে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা, বিজিবি, পুলিশ ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার প্রয়োজন।সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবাহ রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি প্রতি লক্ষ্য্ রাখা উচিত বলে আমরা মনে করি। পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা, মৌলিক অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত অনিবার্য।
আমরা বলতে চাই—বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় এ জাতি দেশের সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনগণের পাশে রয়েছে।দেশের স্বার্থবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে সর্বস্তরের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 






































