ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের শৌচাগারে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাকে মারধর!

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শৌচাগারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। 

আমেরিকার স্বাস্থ্য দফতরের ওই কর্মকর্তাকে হেনস্থা করার অভিযোগে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় জাতিসংঘের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হোয়াইট হাউজ। খবর ফক্স নিউজের।

শুধু তা-ই নয়, হোয়াইট হাউজের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন একজন ‘উন্মাদ বামপন্থী’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে হোয়াইট হাউজের ডেপুটি প্রেস সচিব অ্যানা কেলি বলেন, স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মকর্তাকে শৌচাগারে মারধর করা হয়েছে।

এটা ঘটিয়েছে একজন উন্মাদ বামপন্থী। ওই ব্যক্তি কোনোভাবে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ভেঙে জাতিসংঘের ভিতর ঢুকে পড়েছিলেন। তবে ধৃত সন্দেহভাজনের নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই কর্মকর্তা জাতিসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের সচিব তথা ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র।

প্রসঙ্গত, কেনেডি এই দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পর নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন স্বাস্থ্য দফতরের ভ্যাকসিন-বিরোধী নীতি, ক্যানসারের গবেষণায় বরাদ্দ কাটছাঁট করার পরিকল্পনা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই সব বিতর্কের রেশ জাতিসংঘের ঘটনায় পড়েছে কি না, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

এর আগে, জাতিসংঘে তার বিরুদ্ধে তিন অন্তর্ঘাত হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য পেশ করতে আন্তর্জাতিক ওই সংগঠনের নিউইয়র্কের সদর দফতরে গিয়েছিলেন।

চলমান সিঁড়ির পর টেলিপ্রম্পটার নিয়েও সমস্যায় পড়তে হয় ট্রাম্পকে। সাধারণ সভায় বক্তৃতা করার শুরুতেই তার টেলিপ্রম্পটারটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর পরেই নাকি ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে ট্রাম্পের।

হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, যিনি এই টেলিপ্রম্পটারটি নিয়ন্ত্রণ করছেন, তিনি বড় বিপদে পড়বেন। সব শেষে ট্রাম্প কাঠগড়ায় দাঁড় করান, জাতিসঘের সাধারণ সভার ‘সাউন্ড সিস্টেম’কে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, তার বক্তৃতা শুনতে বেগ পেতে হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের। ট্রাম্প বর্ণিত এই তিন অন্তর্ঘাতের সঙ্গে ওই কর্মকর্তার নিগ্রহের বিষয়টিও যুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

জাতিসংঘের শৌচাগারে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাকে মারধর!

আপডেট সময় : ১০:৫২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শৌচাগারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। 

আমেরিকার স্বাস্থ্য দফতরের ওই কর্মকর্তাকে হেনস্থা করার অভিযোগে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় জাতিসংঘের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হোয়াইট হাউজ। খবর ফক্স নিউজের।

শুধু তা-ই নয়, হোয়াইট হাউজের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন একজন ‘উন্মাদ বামপন্থী’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে হোয়াইট হাউজের ডেপুটি প্রেস সচিব অ্যানা কেলি বলেন, স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মকর্তাকে শৌচাগারে মারধর করা হয়েছে।

এটা ঘটিয়েছে একজন উন্মাদ বামপন্থী। ওই ব্যক্তি কোনোভাবে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ভেঙে জাতিসংঘের ভিতর ঢুকে পড়েছিলেন। তবে ধৃত সন্দেহভাজনের নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই কর্মকর্তা জাতিসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের সচিব তথা ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র।

প্রসঙ্গত, কেনেডি এই দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পর নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন স্বাস্থ্য দফতরের ভ্যাকসিন-বিরোধী নীতি, ক্যানসারের গবেষণায় বরাদ্দ কাটছাঁট করার পরিকল্পনা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই সব বিতর্কের রেশ জাতিসংঘের ঘটনায় পড়েছে কি না, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

এর আগে, জাতিসংঘে তার বিরুদ্ধে তিন অন্তর্ঘাত হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য পেশ করতে আন্তর্জাতিক ওই সংগঠনের নিউইয়র্কের সদর দফতরে গিয়েছিলেন।

চলমান সিঁড়ির পর টেলিপ্রম্পটার নিয়েও সমস্যায় পড়তে হয় ট্রাম্পকে। সাধারণ সভায় বক্তৃতা করার শুরুতেই তার টেলিপ্রম্পটারটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর পরেই নাকি ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে ট্রাম্পের।

হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, যিনি এই টেলিপ্রম্পটারটি নিয়ন্ত্রণ করছেন, তিনি বড় বিপদে পড়বেন। সব শেষে ট্রাম্প কাঠগড়ায় দাঁড় করান, জাতিসঘের সাধারণ সভার ‘সাউন্ড সিস্টেম’কে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, তার বক্তৃতা শুনতে বেগ পেতে হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের। ট্রাম্প বর্ণিত এই তিন অন্তর্ঘাতের সঙ্গে ওই কর্মকর্তার নিগ্রহের বিষয়টিও যুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।