ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের জাতীয়তাবাদী যুবদল কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে দেবীপুর হিন্দু পাড়ায় একটি সালিশি বৈঠককে কেন্দ্র করে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় এয়াছিন ভূঁইয়ার মাধ্যমে ইব্রাহিম খলিল নয়ন নামের এক যুবক কাজের সন্ধানে মালদ্বীপ যান। সেখানে পূর্ব প্রতিশ্রুতি মতো কাজ না দিয়ে নয়নকে লেবারের কাজ দেওয়া হয়। এতে এয়াছিন ও নয়নের মাঝে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মালদ্বীপে এয়াছিনকে মারধর করেন নয়ন। এ ঘটনায় নয়নকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় মালদ্বীপের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সম্প্রতি এয়াছিন বাড়িতে আসার পর নয়ন ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একপর্যায়ে বিষয়টির সমাধানের জন্য হিন্দু পাড়ায় সোমবার রাতে সালিশ বসে। ওই সালিশে এয়াছিনের ভাই রুবেল ও জামালের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন যুবক হামলা করে। তাৎক্ষণিক লোকজন পাশে থাকা যুবদলের অফিসে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে। অফিসের চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
ভুক্তভোগী নয়ন জানান, এয়াছিন বিভিন্ন লোককে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে সর্বস্বান্ত করে ছেড়েছে। সে ও তার পরিবার আওয়ামী লীগ নেতা জানে আলমের সহযোগী হয়ে এলাকার মানুষকে নানাভাবে নির্যাতন করেছে। রাতে আমাদের ওপর হামলা করে এবং যুবদলের অফিস ভাঙচুর করে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার জানান, ওই এলাকায় বিদেশে লোক পাঠানো সংক্রান্ত বিষয়ে একটা সালিশি বৈঠকে হামলার খবর শুনেছি। এ সময় আত্মরক্ষায় যুবদলের কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে বহিরাগতরা যুবদলের কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছে বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। যেহেতু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, সেহেতু পুলিশ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনবে বলে আশা করি।
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, বিদেশ পাঠানো সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সালিশি বৈঠকে কথাকাটাকাটি হয়েছে বলে শুনেছেন। যুবদল কার্যালয়ে ভাঙচুরের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 




































