ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

যাত্রাবাড়ীতে আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫)। তিনি মীর হাজীরবাগের মৃত ফজর আলীর ছেলে।

রোববার রাতে মীর হাজীরবাগ আবু হাজীর গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১২টায়  মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের ভাতিজা মো. রুবেল জানিয়েছেন, বাসার অদূরে আবু হাজী গলিতে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। জাহাঙ্গীর আলম তার নিজের বাড়ি ভাড়া দিয়ে যা আয় হয় তা দিয়েই চলেন। অন্য কিছু করতেন না। জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন বলেও জানিয়েছেন রুবেল।তবে কী কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তৎক্ষণিক জানতে পারেননি। তার সঙ্গে ঢামেকে আসা আরেক জন বলেন, চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে  শুনেছেন। আসলে প্রকৃত ঘটনা এখনও রহস্যঘেরা।

 
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যাত্রাবাড়ীতে আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০১:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫)। তিনি মীর হাজীরবাগের মৃত ফজর আলীর ছেলে।

রোববার রাতে মীর হাজীরবাগ আবু হাজীর গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১২টায়  মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের ভাতিজা মো. রুবেল জানিয়েছেন, বাসার অদূরে আবু হাজী গলিতে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। জাহাঙ্গীর আলম তার নিজের বাড়ি ভাড়া দিয়ে যা আয় হয় তা দিয়েই চলেন। অন্য কিছু করতেন না। জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন বলেও জানিয়েছেন রুবেল।তবে কী কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তৎক্ষণিক জানতে পারেননি। তার সঙ্গে ঢামেকে আসা আরেক জন বলেন, চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে  শুনেছেন। আসলে প্রকৃত ঘটনা এখনও রহস্যঘেরা।