ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি আখ্যা, কেড়ে নেওয়া হলো চাকরি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে বাঙালি যুবককে চরম মানসিক হেনস্থা অতঃপর কেড়ে নেওয়া হলো চাকরি। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। ঘটনার প্রতিবাদে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই যুবক।

জানা গেছে, এইচআর ম্যানেজার হিসেবে গত মার্চে শিলিগুড়িতে ‘টি লিঙ্কার্স ও বনসল টি’ নামের এক কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের জেলা শিলিগুড়ি যুবক অভিষেক সেনগুপ্ত। শিলিগুড়িতেই তার জন্ম এবং বড় হওয়া। বাবা ছিলেন রেলকর্মী। অভিষেকের দাবি, ওই সংস্থার সংখ্যালঘু নিয়োগে আপত্তি ছিল। সেই কারণে এক সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকর্মীকে ছাঁটাই করে বলে অভিযোগ

তিনি বলেন, “আমি ওই কর্মীকে ফেয়ারওয়েল দিই। তারপরই আমি খারাপ নজরে পড়ে যাই। এরপরই গত এক মাসে আমাকে মানসিক নির্যাতন করা হয়। তারপর মুখে বলা হয় দপ্তরে হিন্দিতে বলতে হবে। বাংলায় কথা বলা যাবে না। আর একই সঙ্গে বলা হয় ওপার বাংলা থেকে এসে নাম ভাড়িয়ে আমি হিন্দু সেজে আছি। এই নিয়ে আমি মেয়র গৌতম দেবকে জানিয়েছি। পুলিশকেও জানিয়েছি। ওরা ভীন রাজ্য থেকে আমার রাজ্যে এসে কেন বাংলা ছাড়তে বলবে?”

শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, “উনি অভিযোগ করেছেন। গুরুতর অভিযোগ। শিলিগুড়ি থানার পুলিশকে আমি বিষয়টি বলেছি। পুলিশকে বলেছি ওর বাড়িতে যেতে। খুব নম্রভাবে যেন ব্যবহার হয়। ওর উদ্বেগ দূর করা যেন যায় তার ব্যবস্থা নিতে হবে। ১১ সেপ্টেম্বরের পর আমি প্রয়োজনে ওর বাড়ি যাব। শিলিগুড়িতে এই ঘটনা ঘটবে না। আর যদি ঘটে যথাযথভাবে যেন তদন্ত হয় আমি দেখব।”

এই ঘটনার মাত্র কয়েকদিন আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রকে বাংলা বলার জন্য হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর আবারও বাংলায় উঠল এমন গুরুতর অভিযোগ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি আখ্যা, কেড়ে নেওয়া হলো চাকরি

আপডেট সময় : ০৪:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে বাঙালি যুবককে চরম মানসিক হেনস্থা অতঃপর কেড়ে নেওয়া হলো চাকরি। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। ঘটনার প্রতিবাদে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই যুবক।

জানা গেছে, এইচআর ম্যানেজার হিসেবে গত মার্চে শিলিগুড়িতে ‘টি লিঙ্কার্স ও বনসল টি’ নামের এক কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের জেলা শিলিগুড়ি যুবক অভিষেক সেনগুপ্ত। শিলিগুড়িতেই তার জন্ম এবং বড় হওয়া। বাবা ছিলেন রেলকর্মী। অভিষেকের দাবি, ওই সংস্থার সংখ্যালঘু নিয়োগে আপত্তি ছিল। সেই কারণে এক সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকর্মীকে ছাঁটাই করে বলে অভিযোগ

তিনি বলেন, “আমি ওই কর্মীকে ফেয়ারওয়েল দিই। তারপরই আমি খারাপ নজরে পড়ে যাই। এরপরই গত এক মাসে আমাকে মানসিক নির্যাতন করা হয়। তারপর মুখে বলা হয় দপ্তরে হিন্দিতে বলতে হবে। বাংলায় কথা বলা যাবে না। আর একই সঙ্গে বলা হয় ওপার বাংলা থেকে এসে নাম ভাড়িয়ে আমি হিন্দু সেজে আছি। এই নিয়ে আমি মেয়র গৌতম দেবকে জানিয়েছি। পুলিশকেও জানিয়েছি। ওরা ভীন রাজ্য থেকে আমার রাজ্যে এসে কেন বাংলা ছাড়তে বলবে?”

শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, “উনি অভিযোগ করেছেন। গুরুতর অভিযোগ। শিলিগুড়ি থানার পুলিশকে আমি বিষয়টি বলেছি। পুলিশকে বলেছি ওর বাড়িতে যেতে। খুব নম্রভাবে যেন ব্যবহার হয়। ওর উদ্বেগ দূর করা যেন যায় তার ব্যবস্থা নিতে হবে। ১১ সেপ্টেম্বরের পর আমি প্রয়োজনে ওর বাড়ি যাব। শিলিগুড়িতে এই ঘটনা ঘটবে না। আর যদি ঘটে যথাযথভাবে যেন তদন্ত হয় আমি দেখব।”

এই ঘটনার মাত্র কয়েকদিন আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রকে বাংলা বলার জন্য হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর আবারও বাংলায় উঠল এমন গুরুতর অভিযোগ।