ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালে ভয়াবহ ক্যাবল রেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৮ জন। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত জনপ্রিয় ক্যাবল রেল এলিভাদোর গ্লোরিয়াতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাবল রেলটি দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে গিয়ে পাশের একটি ভবনে ধাক্কা মারে। এতে এটি ভেঙে কাঠের বাক্সের মতো দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।

আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের লিসবনের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও তার শিশু সন্তানও রয়েছে। গর্ভবতী নারীকে মেটারনিটি হাসপাতালে এবং তার সন্তানকে বিশেষায়িত হাসপাতাল দোনা এস্টেফানিয়াতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হতাহতদের মধ্যে পর্তুগিজ ও বিদেশি নাগরিক উভয়ই রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) পর্তুগালে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, লিসবনের সিটি মেয়র কার্লোস মোয়েদা শহরে তিন দিনের শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

মেয়র সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শহরে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। আমরা ভুক্তভোগীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।

১৮৮৫ সাল থেকে চলা এই ক্যাবল রেলটি লিসবনের রেসতোরাদোস থেকে বাইরো আলতো পর্যন্ত যাত্রী পারাপার করত। শহরের সাতটি পাহাড়ের ওপর অবস্থিত লিসবনের মানুষদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এ ধরনের একাধিক সেবা চালু রয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর শহরের অন্য ক্যাবল রেল পরিষেবাগুলোও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

পর্তুগালে ভয়াবহ ক্যাবল রেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৮ জন। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত জনপ্রিয় ক্যাবল রেল এলিভাদোর গ্লোরিয়াতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাবল রেলটি দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে গিয়ে পাশের একটি ভবনে ধাক্কা মারে। এতে এটি ভেঙে কাঠের বাক্সের মতো দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।

আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের লিসবনের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও তার শিশু সন্তানও রয়েছে। গর্ভবতী নারীকে মেটারনিটি হাসপাতালে এবং তার সন্তানকে বিশেষায়িত হাসপাতাল দোনা এস্টেফানিয়াতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হতাহতদের মধ্যে পর্তুগিজ ও বিদেশি নাগরিক উভয়ই রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) পর্তুগালে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, লিসবনের সিটি মেয়র কার্লোস মোয়েদা শহরে তিন দিনের শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

মেয়র সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের শহরে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। আমরা ভুক্তভোগীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।

১৮৮৫ সাল থেকে চলা এই ক্যাবল রেলটি লিসবনের রেসতোরাদোস থেকে বাইরো আলতো পর্যন্ত যাত্রী পারাপার করত। শহরের সাতটি পাহাড়ের ওপর অবস্থিত লিসবনের মানুষদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এ ধরনের একাধিক সেবা চালু রয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর শহরের অন্য ক্যাবল রেল পরিষেবাগুলোও সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।