বৃষ্টিতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়ির সামনে নূর মুহাম্মদ। ছবি: রয়টার্স
বিয়ের দুইদিন আগে নূর মুহাম্মদ তার মায়ের সাথে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলেন। বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতিও চলছিল পুরোদমে। কিন্তু দুইদিন পর তিনি বাড়িতে এসে সাক্ষী হন করুণ এক পরিণতির। ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারানো পরিবারের ২৩ সদস্যসহ ২৪ জনের জানাজায় অংশ নিতে হয় নূর মুহাম্মদকে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বুনের জেলায়।
২৫ বছর বয়সি নূর কাঁদতে কাঁদতে বলেন, সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। বাড়ি ফিরে এসে ধ্বংসস্তূপ এবং ভারী পাথর ছাড়া আর কিছুই নেই। পাহাড় থেকে কাদা এবং প্রচণ্ড বন্যার পানির সাথে ঘরবাড়ি, বাজার এবং ভবনগুলোতে ভেঙে পড়েছে।
তিনি বলেন, বন্যা এলো, এক ভয়াবহ বন্যা এলো, সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেল, বাড়ি, মা, বোন, ভাই, আমার চাচা, আমার দাদা এবং বাচ্চাদের।

মুহাম্মদ জানান, তার পরিবারের ২৮ জনের মধ্যে মাত্র চারজন বেঁচে আছেন। তিনি বলেন, আমরা আর কী বলতে পারি? এটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা।
নিহতদের মধ্যে নূর মুহাম্মদরে মা, এক ভাই এবং এক বোনও ছিলেন। এছাড়া রয়েছে তার চাচাদের পরিবারের সদস্যরা, যারা তার দাদার তৈরি বাড়িটিতে উত্তরাধিকার সূত্রে ছিলেন এবং তার বিয়েতে যোগদানকারী আত্মীয়স্বজনরা।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































