ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে: আখতার

জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র যাতে বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হয়, সেজন্য দেশের জনগণকে পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

আজ রবিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে শহীদ মিনারে এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশে আর বিভাজনের রাজনীতি দেখতে চাই না। রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ার জন্য গত বছর একদফার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা এখনও জনগণের কাছে জবাবদিহি করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় যে একদলীয় ফ্যাসিবাদী আচরণ দেখা গেছে, সামনে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে তা দেখতে চাই না। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। মৌলিক সংস্কারের যতটুকু প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে, সেটির মাধ্যমেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করতে হবে।

এদিকে, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, ৭২-এর সংবিধান ছিল একটি কলঙ্কিত সংবিধান, যা অন্য দেশ থেকে পাশ হয়ে এসেছিল। সেটি আর এ দেশে টিকে থাকতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আহত ও শহীদদের হত্যার বিচার চাওয়ার জন্য এসেছি। এমনকি সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চাইতেও এসেছি।

অন্যদিকে, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, এনসিপির কোনো নেতার দিকে চোখ তুলে তাকালে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব যে দিক-নির্দেশনা দেবেন, এতে যদি জীবনও চলে যায় সে নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করবো।

উল্লেখ্য, শহীদ মিনার থেকে নতুন বাংলাদেশের ২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। সমাবেশ থেকে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে: আখতার

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র যাতে বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হয়, সেজন্য দেশের জনগণকে পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

আজ রবিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে শহীদ মিনারে এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশে আর বিভাজনের রাজনীতি দেখতে চাই না। রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ার জন্য গত বছর একদফার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা এখনও জনগণের কাছে জবাবদিহি করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় যে একদলীয় ফ্যাসিবাদী আচরণ দেখা গেছে, সামনে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে তা দেখতে চাই না। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। মৌলিক সংস্কারের যতটুকু প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে, সেটির মাধ্যমেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করতে হবে।

এদিকে, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, ৭২-এর সংবিধান ছিল একটি কলঙ্কিত সংবিধান, যা অন্য দেশ থেকে পাশ হয়ে এসেছিল। সেটি আর এ দেশে টিকে থাকতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আহত ও শহীদদের হত্যার বিচার চাওয়ার জন্য এসেছি। এমনকি সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চাইতেও এসেছি।

অন্যদিকে, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, এনসিপির কোনো নেতার দিকে চোখ তুলে তাকালে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব যে দিক-নির্দেশনা দেবেন, এতে যদি জীবনও চলে যায় সে নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করবো।

উল্লেখ্য, শহীদ মিনার থেকে নতুন বাংলাদেশের ২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। সমাবেশ থেকে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।