ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

রাশিয়ার এস-৪০০ মোতায়েন করলো ইরান! কপালে চিন্তার ভাঁজ নেতানিয়াহুর

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ৪১৯ বার পড়া হয়েছে

ইরান গত সপ্তাহে রাশিয়ার অত্যাধুনিক এস-৪০০ ত্রিয়ুমফ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রথমবারের মতো মাঠে নিয়েছে, যা ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। রাশিয়ার কাছ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার পর ইরান এখন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। শুধু রাশিয়াই নয় তাদের পরম মিত্র চীনের কাছেও অত্যধুনিক সব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছে ইরান।

এই ঘটনার পর কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ইহুদিবাদী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কপালে যেনো চিন্তার ভাঁজ। একটু খানী সুযোগ পেলেই ইরানে হামলার জন্য ওত পেতে থাকে ইসরায়েল। যদিও বিশ্বের অঘোষিত পরাশক্তি ইরানী মুসলিমদের কাছে পাত্তা পায়না ইহুদিবাদিরা। যার প্রমাণ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাত।

সেই যুদ্ধে আগ বাড়িয়ে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু ঘাটিতে হামলা চালাতে গিয়ে উল্টো ইরানের মুহুর্মুহু সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে সমগ্র ইসরায়েল। শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে থেমে যায় এই সংঘাত। এদিকে সম্প্রতি নিযুক্ত করা রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ একটি উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত শত্রু বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এর প্রতিরক্ষা পরিসর এতটাই বিস্তৃত যে এটি দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু কে ধ্বংস করতে সক্ষম, যা ইরানকে আঞ্চলিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে।

রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ নিয়েই ইরান তার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের নিরাপত্তা নীতিকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারে।

ইরান তার সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর সাথে সাথে ইসরায়েল এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। যেনো ঠিক নেতানিয়াহুর কলিজায় হাত দিয়ে ফেলেছে ইরান। নির্লজ্জ বেহায়া নেতানিয়াহুর যদি কাণ্ডজ্ঞান থেকে থাকে তাহলে হয়তো আর কখনোই ইরানে হামলার পায়তারা করবে না। রাশিয়ার এস-৪০০ মোতায়েনের পর ইরান, ইসরায়েলের চেয়েও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এগিয়ে যাবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশিয়ার এস-৪০০ মোতায়েন করলো ইরান! কপালে চিন্তার ভাঁজ নেতানিয়াহুর

আপডেট সময় : ০৪:১০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

ইরান গত সপ্তাহে রাশিয়ার অত্যাধুনিক এস-৪০০ ত্রিয়ুমফ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রথমবারের মতো মাঠে নিয়েছে, যা ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। রাশিয়ার কাছ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার পর ইরান এখন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। শুধু রাশিয়াই নয় তাদের পরম মিত্র চীনের কাছেও অত্যধুনিক সব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছে ইরান।

এই ঘটনার পর কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ইহুদিবাদী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কপালে যেনো চিন্তার ভাঁজ। একটু খানী সুযোগ পেলেই ইরানে হামলার জন্য ওত পেতে থাকে ইসরায়েল। যদিও বিশ্বের অঘোষিত পরাশক্তি ইরানী মুসলিমদের কাছে পাত্তা পায়না ইহুদিবাদিরা। যার প্রমাণ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাত।

সেই যুদ্ধে আগ বাড়িয়ে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু ঘাটিতে হামলা চালাতে গিয়ে উল্টো ইরানের মুহুর্মুহু সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে সমগ্র ইসরায়েল। শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে থেমে যায় এই সংঘাত। এদিকে সম্প্রতি নিযুক্ত করা রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ একটি উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত শত্রু বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এর প্রতিরক্ষা পরিসর এতটাই বিস্তৃত যে এটি দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু কে ধ্বংস করতে সক্ষম, যা ইরানকে আঞ্চলিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে।

রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ নিয়েই ইরান তার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের নিরাপত্তা নীতিকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারে।

ইরান তার সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর সাথে সাথে ইসরায়েল এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। যেনো ঠিক নেতানিয়াহুর কলিজায় হাত দিয়ে ফেলেছে ইরান। নির্লজ্জ বেহায়া নেতানিয়াহুর যদি কাণ্ডজ্ঞান থেকে থাকে তাহলে হয়তো আর কখনোই ইরানে হামলার পায়তারা করবে না। রাশিয়ার এস-৪০০ মোতায়েনের পর ইরান, ইসরায়েলের চেয়েও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এগিয়ে যাবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।