ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে রাত ৮টা থেকে কারফিউ জারি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে ফেরার পথে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় গোপালগঞ্জে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা হতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। ফেসবুকের এক পোস্টে একথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

পোস্টে তিনি লিখেন, গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়েছে। জীবন-মৃত্যুর মতো পরিস্থিতি না হলে সাধারণ জনগণ কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের *** ভেঙে দেয়া হবে।

পোস্টে আরও বলা হয়, পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানগণ।

এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছিল জেলা প্রশাসন। এরপর সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাহারায় তারা গোপালগঞ্জ থেকে গাড়ি বহর নিয়ে বের হন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এরপর জেলাটিতে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়।

এদিন দুপুর দেড়টার দিকে শহরের পৌর পার্কে সমাবেশ মঞ্চে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেখানে চেয়ার ভাঙচুর করে।

এছাড়া সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কংশুর এলাকায় (ইউএনও) গাড়ি বহরে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। একই সাথে সদর উপজেলার উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে টহলরত পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।

প্রসঙ্গত, জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে এ কর্মসূচির আয়োজন করে এনসিপি। এতে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

গোপালগঞ্জে রাত ৮টা থেকে কারফিউ জারি

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে ফেরার পথে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় গোপালগঞ্জে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা হতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। ফেসবুকের এক পোস্টে একথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

পোস্টে তিনি লিখেন, গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়েছে। জীবন-মৃত্যুর মতো পরিস্থিতি না হলে সাধারণ জনগণ কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের *** ভেঙে দেয়া হবে।

পোস্টে আরও বলা হয়, পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানগণ।

এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছিল জেলা প্রশাসন। এরপর সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাহারায় তারা গোপালগঞ্জ থেকে গাড়ি বহর নিয়ে বের হন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এরপর জেলাটিতে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়।

এদিন দুপুর দেড়টার দিকে শহরের পৌর পার্কে সমাবেশ মঞ্চে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেখানে চেয়ার ভাঙচুর করে।

এছাড়া সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কংশুর এলাকায় (ইউএনও) গাড়ি বহরে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। একই সাথে সদর উপজেলার উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে টহলরত পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।

প্রসঙ্গত, জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্কে এ কর্মসূচির আয়োজন করে এনসিপি। এতে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।