ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছয় মাসে দেশে ফিরলেন ১৩ লাখের বেশি আফগান শরণার্থী

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

ছয় মাসে দেশে ফিরেছেন ১৩ লাখের বেশি আফগান শরণার্থী। দেশটির গণমাধ্যম টোলো নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি (এসআরএসজি) রোজা ওতুনবায়েভা বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তটি পরিবারগুলোর জন্য আনন্দের হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা আজ ক্লান্তি, ট্রমা ও গভীর অনিশ্চয়তায় ভরা।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এই বিশাল সংখ্যক প্রত্যাবর্তন — যার অনেকটাই আকস্মিক এবং অনিচ্ছাকৃত — তা বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।

এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খরা ও দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সংকটে ভুগতে থাকা আফগানিস্তান ‘এই ধাক্কা একা সামাল দিতে পারবে না।’

ইউএনএএমএ জানায়, জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ‘প্রত্যাবর্তনের গতি ও পরিমাণ ইতোমধ্যেই ভঙ্গুর সহায়তা ব্যবস্থাকে চরমভাবে চাপে ফেলেছে।’ বর্তমানে ৭০ শতাংশ আফগান দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, ফলে এই আগমন সীমিত সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ তারা এমন পরিস্থিতিতে ফিরছে যেখানে ‘প্রাথমিক সেবা ও সামাজিক সুরক্ষার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।

ওতুনবায়েভা দাতাসংস্থা ও আঞ্চলিক অংশীদারদের উদ্দেশে সরাসরি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পেছন ফিরে তাকাবেন না। প্রত্যাবর্তনকারীদের অবহেলা করা যাবে না। আমরা যা দেখছি, তা হচ্ছে বৈশ্বিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখেরও বেশি আফগান নাগরিক নিজ দেশে ফিরেছেন। এই বিপুল সংখ্যক প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ আফগানিস্তান সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ)।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

ছয় মাসে দেশে ফিরলেন ১৩ লাখের বেশি আফগান শরণার্থী

আপডেট সময় : ০৫:১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

ছয় মাসে দেশে ফিরেছেন ১৩ লাখের বেশি আফগান শরণার্থী। দেশটির গণমাধ্যম টোলো নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি (এসআরএসজি) রোজা ওতুনবায়েভা বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তটি পরিবারগুলোর জন্য আনন্দের হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা আজ ক্লান্তি, ট্রমা ও গভীর অনিশ্চয়তায় ভরা।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এই বিশাল সংখ্যক প্রত্যাবর্তন — যার অনেকটাই আকস্মিক এবং অনিচ্ছাকৃত — তা বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য সতর্কবার্তা হওয়া উচিত।

এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খরা ও দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সংকটে ভুগতে থাকা আফগানিস্তান ‘এই ধাক্কা একা সামাল দিতে পারবে না।’

ইউএনএএমএ জানায়, জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ‘প্রত্যাবর্তনের গতি ও পরিমাণ ইতোমধ্যেই ভঙ্গুর সহায়তা ব্যবস্থাকে চরমভাবে চাপে ফেলেছে।’ বর্তমানে ৭০ শতাংশ আফগান দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, ফলে এই আগমন সীমিত সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ তারা এমন পরিস্থিতিতে ফিরছে যেখানে ‘প্রাথমিক সেবা ও সামাজিক সুরক্ষার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।

ওতুনবায়েভা দাতাসংস্থা ও আঞ্চলিক অংশীদারদের উদ্দেশে সরাসরি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পেছন ফিরে তাকাবেন না। প্রত্যাবর্তনকারীদের অবহেলা করা যাবে না। আমরা যা দেখছি, তা হচ্ছে বৈশ্বিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখেরও বেশি আফগান নাগরিক নিজ দেশে ফিরেছেন। এই বিপুল সংখ্যক প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ আফগানিস্তান সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ)।